নিজস্ব প্রতিবেদক, কেশপুর : পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের কেশপুর বিজ্ঞান কেন্দ্রের উদ্যোগে কেশপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো বিজ্ঞান কেন্দ্রের জেলা বিজ্ঞান মানসিকতা ও মেধা অভীক্ষা -২০২৫ এর পুরস্কার বিতরণী সভা।সংগঠনের পতাকা উত্তো…
নিজস্ব প্রতিবেদক, কেশপুর : পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের কেশপুর বিজ্ঞান কেন্দ্রের উদ্যোগে কেশপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো বিজ্ঞান কেন্দ্রের জেলা বিজ্ঞান মানসিকতা ও মেধা অভীক্ষা -২০২৫ এর পুরস্কার বিতরণী সভা।সংগঠনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সূচনা হয়। পতাকা উত্তোলন করেন কেশপুর বিজ্ঞান কেন্দ্রের সভাপতি নারায়ণ প্রসাদ চৌধুরী ।
উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সভাপতি, সুজাতা মাইতি জেলা কমিটির সহ-সভাপতি সম্মানীয় নন্দদুলাল ভট্টাচার্য মহাশয় ও সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অভিজিৎ দাস গোস্বামী মহাশয় ।পতাকা উত্তোলনের পর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ,নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ,ক্ষুদিরাম বসু ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করা হয় ।
সভার শুরুতেই আনন্দপুর সন্তোষ কুমারী গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী সমৃদ্ধি মান্না একটি রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন ও আনন্দপুর হাই স্কুলের ছাত্র অগ্নি অধিকারী, তার বাঁশির সুরে উপস্থিত সকলকে মোহিত করে তোলে ।কেশপুর বিজ্ঞান কেন্দ্রের সম্পাদক হারাধন ভূঁইমালী তার স্বাগত ভাষণে বর্তমান দিনে দাঁড়িয়ে বিজ্ঞান মানসিকতার যে আশু প্রয়োজন তার উপর আলোকপাত করেন এবং বর্তমান সময়ে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক অভিভাবিকা দের কাছে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যপদ গ্রহণ করার আবেদন জানান। একই সাথে আসামে অসহায় বানভাসি মানুষদের জন্য সাহায্যের আবেদন জানান। বিজ্ঞান মঞ্চের নেতৃত্ব ডঃ সুজাতা মাইতি তাঁর বক্তব্যে কেশপুর বিজ্ঞান কেন্দ্রের অন্তর্গত প্রত্যন্ত এলাকায় পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের প্রচার ও তার কর্মকাণ্ড কিভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে তার ওপর আলোকপাত করেন বিজ্ঞান মঞ্চের নেতৃত্ব নন্দদুলাল ভট্টাচার্য, তাঁর দীর্ঘ ভাষণে ছাত্র-ছাত্রীদের হাল না ছেড়ে ইস্পাত কঠিন মানসিকতা গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।
ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক মিলিয়ে উপস্থিতির সংখ্যা ছিল প্রায় ১৭০ জন। প্রয়াত নিখিলেন্দু শেখর চৌধুরী স্মৃতি রানিং শীল্ড এবছরও ধলহারা পাগলিমাতা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সভাটির শেষে একটি সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয় ।
কেশপুর বিজ্ঞান কেন্দ্রের সদস্যরা তাঁদের সমস্যার কথা ওই সভায় তুলে ধরেন এবং উপস্থিত জেলা নেতৃত্ব কিভাবে এই সমস্যাগুলি কাটিয়ে ওঠা যাবে সে সম্পর্কে সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেন।





