নিজস্ব প্রতিবেদক, পশ্চিম মেদিনীপুর শালবনী ব্লকের ১ নং দেবগ্রাম অঞ্চলের মধুপুর, জামিরগোট, মহিষডোবা ও চাঁচগাড়ি প্রভৃতি গ্রাম গুলিতে এক হাজার বিভিন্ন ধরনের ফলের চারাগাছ রোপণ ও প্রদানের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিলেন বিশিষ্ট পরি…
নিজস্ব প্রতিবেদক, পশ্চিম মেদিনীপুর
শালবনী ব্লকের ১ নং দেবগ্রাম অঞ্চলের মধুপুর, জামিরগোট, মহিষডোবা ও চাঁচগাড়ি প্রভৃতি গ্রাম গুলিতে এক হাজার বিভিন্ন ধরনের ফলের চারাগাছ রোপণ ও প্রদানের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিলেন বিশিষ্ট পরিবেশ-প্রেমী ও রেলকর্মী সমীর দেবসিংহ ।বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে তিনি এই কর্মসূচি রূপায়ণ করেন।সমীরবাবুর এই মহতী কর্মযজ্ঞে উপস্থিত ছিলেন শালবনীর সদ্য বিধায়ক বিমান মাহাত। উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট মানুষজনেরাও।
টোটোতে চারাগাছগুলো তুলে সমীরবাবুর টিম প্রথমে পৌঁছে যায় মধুপুর প্রাথমিক স্কুলে সেখানে কিছু চারাগাছ যেমন রোপন করা হয় তেমনি কিছু চারা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিলানো হয়। একইভাবে চাঁচগাড়ি শিশুশিক্ষা কেন্দ্র, মহিষডোবা শিশুশিক্ষা কেন্দ্র, জামিরগোট শিশুশিক্ষা কেন্দ্র ও মধুপুর হাইস্কুলেও কিছু চারা লাগানো হয় ও কিছু ছাত্রছাত্রীদের হাতে হাতে তুলে দেওয়া হয় বাড়িতে লাগানোর জন্য। মধুপুর-চাঁচগাড়ির ঐতিহ্যবাহী সংস্কাররত বুড়াবাঁধের পাড়েও রোপন করা হয় অনেক চারাগাছ। এলাকার কয়েকটি ক্লাবকেও চারাগাছ দেওয়া হয়। বিভিন্ন গ্রামবাসীদের মধ্যেও বিতরণ করা হয় চারাগাছ। আই সি ডি এস কিংবা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চারপাশেও লাগানো হয় গাছ। সব মিলে মধুপুর, জামিরগোট, চাঁচগাড়ি ও মহিষডোবা গ্রামে অবস্থিত সমস্ত সরকারী প্রতিষ্ঠান ও ক্লাবগুলোতে এবং কিছু গ্রামবাসীর মধ্যে হাজার চারাগাছ বিলি করেন সমীরবাবু।
যে অক্সিজেন ছাড়া আমরা এক মুহূর্তও বেঁচে থাকতে পারবো না সেই অক্সিজেনের একমাত্র উৎস হলো গাছ। অথচ আমরা প্রতিদিন নির্বিচারে কেটে ফেলছি সেই পরম বন্ধু গাছকেই। গাছ কাটা রোধ করার ক্ষমতা হয়তো সাধারণ মানুষের নেই কিন্তু আরও আরও গাছ লাগিয়ে গাছের ভারসাম্য রক্ষা করতে যে কেউ ইচ্ছে করলেই পারে। যেমন পারছেন সমীর দেবসিংহ। যখন অনেকে নিজের কাজে ব্যস্ত সমীরবাবু তখন মোটরবাইকের পিছনে গাছের চারা বেঁধে গ্রামে গ্রামে গিয়ে বৃক্ষরোপণ করে এবং বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষকে গাছ লাগানোয় উৎসাহ প্রদান করেন।


