অরুণ কুমার সাউ, চন্ডীপুর:* বর্ষার মরশুমে কুইজপ্রেমীদের এক অনন্য মিলন মেলার সাক্ষী থাকল চন্ডীপুর। স্থানীয় চন্ডীপুর সপ্তর্ষি গেস্ট হাউসে অত্যন্ত সাড়ম্বরে আয়োজিত হয়ে গেল ‘মনসুন স্পেশাল কুইজ লীগ’ – সিজন ২। সামগ্রিক অনুষ্ঠানটি সফল করত…
অরুণ কুমার সাউ, চন্ডীপুর:* বর্ষার মরশুমে কুইজপ্রেমীদের এক অনন্য মিলন মেলার সাক্ষী থাকল চন্ডীপুর। স্থানীয় চন্ডীপুর সপ্তর্ষি গেস্ট হাউসে অত্যন্ত সাড়ম্বরে আয়োজিত হয়ে গেল ‘মনসুন স্পেশাল কুইজ লীগ’ – সিজন ২। সামগ্রিক অনুষ্ঠানটি সফল করতে বিশেষ সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ‘উত্তরণ স্টাডি সেন্টার’।এবারের কুইজ লীগে মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৭টি দল অংশ নেয়। দলগুলি হলো হাঁসচড়া ফ্যান্টম হক্সবিলস,চন্ডিপুর চিতা চ্যাম্পিয়ন,রামপুর রাইনো রেবেলস, স্নো লেপার্ড শ্রীকৃষ্ণপুর, পান্ডা পানিশার্স ভগবানপুর, কন্টাই ব্লু হোয়েলস, কাজলাগড় এলিফ্যান্ট অ্যাভেঞ্জারস।কুইজ প্রতিযোগিতাটিকে আকর্ষণীয় ও জ্ঞানগর্ভ করে তুলতে কুইজ মাস্টার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলার পাঁচজন স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব— অরুণাংশু প্রধান, দীপসুন্দর দিন্ডা, সন্দীপন দাস, পবিত্র কুমার ভক্তা এবং সতীনাথ মাইতি। তাঁদের নিখুঁত পরিচালনায় প্রায় ১০০টি প্রশ্নের একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে। প্রতিটি রাউন্ডেই দলগুলির মধ্যে লড়াই ছিল দেখার মতো।একনজরে চূড়ান্ত তালিকা
দীর্ঘ লড়াইয়ের পর প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ট্রফি ও সম্মানে ভূষিত করা হয় সেরা দল ও কুইজারদের। প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় সুমন দিন্ডা নেতৃত্বে রামপুর রাইনো রেবেলস্। রানার্স হয় অধিরাজ মাইতির নেতৃত্বে স্নো লেপার্ড শ্রীকৃষ্ণপুর , তৃতীয় স্থান পেয়েছে সত্যম সাহুর নেতৃত্বে পান্ডা পানিশার্স ভগবানপুর।
প্রতিযোগিতায় বেস্ট কুইজার নির্বাচিত হন সুদীপ নারায়ণ জানা ,নারী বিভাগে সেরা কুইজার মৌলি রায় ,বেস্ট স্কুল কুইজার নির্বাচিত হন প্রিয়ম শীট ।মনসুন কুইজ লীগের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা সুমন দিন্দা, বিশ্বজিৎ জানা এবং সত্যম সাহু এই সাফল্যের পর অত্যন্ত আনন্দ প্রকাশ করেন। তাঁরা জানান,"এই ধরনের শিক্ষামূলক আয়োজন চন্ডীপুর, কাঁথি, এগরাসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এক বিশেষ উন্মাদনা ও কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। আগামী দিনে এই অঞ্চলে কুইজের সংস্কৃতি ও চর্চাকে আরও ছড়িয়ে দিতে এই লীগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।" সমগ্র অনুষ্ঠানটিকে কেন্দ্র করে কুইজপ্রেমীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। আগামী দিনে এই লীগের পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা রাখছেন উদ্যোক্তারা।

