অরুণ কুমার সাউ,তমলুক: পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনালগ্নে মহালয়ার পুণ্য প্রভাতে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তাম্রলিপ্ত পৌরসভা। রবিবার সকালে পৌরসভা প্রাঙ্গণে সাজানো হয় কাশফুল, অন্যান্য ফুলের মালা দিয়ে। বন…
অরুণ কুমার সাউ,তমলুক: পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনালগ্নে মহালয়ার পুণ্য প্রভাতে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তাম্রলিপ্ত পৌরসভা। রবিবার সকালে পৌরসভা প্রাঙ্গণে সাজানো হয় কাশফুল, অন্যান্য ফুলের মালা দিয়ে। বন্দনা করা হয় দুর্গা মায়ের। আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং আপামর জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাম্রলিপ্ত পৌরসভার পৌরপ্রধান ডাঃ দীপেন্দ্র নারায়ণ রায়, উপ পৌরপ্রধান লীনা মাভৈ রায়, কাউন্সিলর দেবশ্রী দাস মাইতি, কাউন্সিলর অলোক সাঁতরা, কাউন্সিলর আনোয়ারা বেগম, বিশিষ্ট সমাজসেবী দিব্যেন্দু রায়, এবং বিশ্বনাথ হাজরা সহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক কার্যক্রম। প্রভাতী সঙ্গীতের সুর, আগমনী সংগীত পরিবেশন হয় যা সমগ্র পরিবেশে এক ভক্তিরস এবং আধ্যাত্মিকতার সঞ্চার করে। ছোট থেকে বড়, সকলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক নতুন মাত্রা পায়। পৌরপ্রধান ডাঃ দীপেন্দ্র নারায়ণ রায় তাঁর বক্তব্যে মহালয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং আসন্ন দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, - মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি বাঙালির হৃদয়ে এক বিশেষ অনুভূতি।
এই দিনে আমরা পিতৃপুরুষদের স্মরণ করি এবং মা দুর্গার আগমনের প্রস্তুতি নিই। তাম্রলিপ্ত পৌরসভা এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করে আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে বদ্ধপরিকর। এই অনুষ্ঠান প্রমাণ করে যে আমাদের শহরে এখনও সাংস্কৃতিক চেতনা কতটা জীবন্ত। আগামী দিনেও আমরা এই ধরনের আরও অনুষ্ঠান আয়োজনের চেষ্টা করব। মহালয়ার এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুধু উৎসবের সূচনা করেনি, বরং তাম্রলিপ্তের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক সুন্দর প্রতিফলনও ঘটাল। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আগমনী বার্তা পৌঁছে গেল শহরের প্রতিটি কোণে।

