Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

মহালয়ার পুণ্যলগ্নে রূপনারায়ণের তীরে পিতৃপুরুষের তর্পণ

অরুণ কুমার সাউ,তমলুক : পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনার এই পুণ্যলগ্নে মহালয়ার সকালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক শহরের রূপনারায়ণ নদীর ঘাটে পিতৃপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনায় তর্পণ করলেন বহু মানুষ।এই বিশেষ দিনে নিজেদের পূর্…


অরুণ কুমার সাউ,তমলুক : পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনার এই পুণ্যলগ্নে মহালয়ার সকালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক শহরের রূপনারায়ণ নদীর ঘাটে পিতৃপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনায় তর্পণ করলেন বহু মানুষ।এই বিশেষ দিনে নিজেদের পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঘাটে উপচে পড়েছিল পূণ্যার্থীর ভিড়। ভোর থেকেই তমলুকের রূপনারায়ণ নদীর তীরে অসংখ্য মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন।পুরোহিতদের মন্ত্রপাঠের সঙ্গে সঙ্গে চলে তর্পণ, যা পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এক বিশেষ রীতি। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনে তর্পণ করলে পূর্বপুরুষদের আত্মা শান্তি পায় এবং তাঁদের আশীর্বাদে বংশের মঙ্গল হয়। তবে এ বছর তর্পণ করতে গিয়ে পূণ্যার্থীদের কিছুটা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। ভরা কোটালের সময় না হওয়ায় নদীর জল অনেকটাই নেমে গিয়েছিল। ফলে পূণ্যার্থীদের অনেকটা পথ হেঁটে নদীর গভীরে গিয়ে তর্পণ করতে হয়েছে। এই সামান্য কষ্ট উপেক্ষা করেই তারা নিষ্ঠাভরে নিজেদের কর্তব্য পালন করেন।

যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং পূণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তমলুক থানার পক্ষ থেকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নদীর ঘাট ও তার সংলগ্ন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন ছিল, যাতে নির্বিঘ্নে এই পবিত্র কাজটি সম্পন্ন হয়। প্রশাসনের এই উদ্যোগ পূণ্যার্থীদের অনেকটা নিশ্চিন্ত করে।

মহালয়ার এই দিনে তর্পণের মাধ্যমে একদিকে যেমন পিতৃপক্ষের সমাপ্তি হয়, তেমনই অন্যদিকে দেবীপক্ষের আগমন বার্তা নিয়ে আসে। তমলুকের রাধাবল্লভপুর গ্রামের বাসিন্দা পেশায় সরকারি চাকরিজীবী দীপ্ত দাস বলেন, মহালয়ার পূর্ণ তিথিতে মা বর্গভীমা কাছে অঞ্জলি দিয়ে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ সারলাম রূপনারায়ণ নদীবক্ষে। তমলুকের শহরের বাসিন্দা দেবাশীষ নাগ বলেন প্রতিবছরের মতোই এ বছরও পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে রূপনারায়ণ নদীতে তর্পণ সারলাম।