অরুণ কুমার সাউ, তমলুক : পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক থানার রাধিকাপুর এলাকায় শ্বশুরের হাতে জামাই খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জামাইকে খুন করার পর থেকেই অভিযুক্ত শ্বশুর পলাতক।খবর পেয়ে তমলুক থান…
অরুণ কুমার সাউ, তমলুক : পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক থানার রাধিকাপুর এলাকায় শ্বশুরের হাতে জামাই খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জামাইকে খুন করার পর থেকেই অভিযুক্ত শ্বশুর পলাতক।খবর পেয়ে তমলুক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য তাম্রলিপ্ত গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তমলুক থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় জামাইয়ের নাম শেক মতিবুল। বয়স ৪০ ঊর্ধ্ব। আসল বাড়ি কোলাঘাট থানায় হলেও বিয়ের পর থেকেই পরিবার নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। পরিবারের অভিযোগ মতিবুল দীর্ঘদিন কোন কাজ করেন না। উল্টে নানান ধরনের নেশায় আসক্ত। নেশার টাকা জোগাড় করার জন্য পরিবারের উপর চড়াও হতেন। নানান রকম ভাবে অত্যাচার করত স্ত্রী ও শশুর শাশুড়ির উপর। পরিবার ও আত্মীয়রা একাধিকবার গ্রামীণ সালিশি ডেকে বিবাদ মেটানোর চেষ্টা করে। গ্রামীন লোকেরা অনেকবার মতিবুলকে বুঝিয়ে সংসার করার কথা বললেও কারো কথায় কান দেননি। মতিবুলের আচরণে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন দেখা যায়নি। শনিবার সকাল থেকেই নেশার টাকার জন্য বাড়ির লোকেদের ওপর অত্যাচার চালায়। যত বেলা গড়িয়েছে অত্যাচার ও মারধরের মাত্রা ক্রমশ বেড়েছে। অবশেষে ভোররাতে শ্বশুর ধারালো অস্ত্র দিয়ে জামাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর এলাকা থেকে পলাতক অভিযুক্ত শ্বশুর। অভিযুক্ত শ্বশুর এর নাম শেখ জুলফিকর। ঘটনার পর পুলিশ এসে পৌঁছায়। তদন্ত শুরু করেছে।
