Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

এন আর এসের ১৫০ বছর! উৎযাপন করছে প্রাক্তনীরা

দেবাঞ্জন দাস, ৮ ফেব্রুয়ারি: ১৮৭৪ সালে শিয়ালদহ মিউনিসিপাল মার্কেট হাসপাতালকে ক্যাম্পবেল মেডিকেল স্কুলে রূপান্তরিত করা হয়। পরবর্তি সময়ে ১৯৪৮ সালে এটি ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল স্কুল ও কলেজে উন্নিত হয় এবং স্বাধীনতার পর ১৯৫০এ হাসপাত…


দেবাঞ্জন দাস, ৮ ফেব্রুয়ারি: ১৮৭৪ সালে শিয়ালদহ মিউনিসিপাল মার্কেট হাসপাতালকে ক্যাম্পবেল মেডিকেল স্কুলে রূপান্তরিত করা হয়। পরবর্তি সময়ে ১৯৪৮ সালে এটি ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল স্কুল ও কলেজে উন্নিত হয় এবং স্বাধীনতার পর ১৯৫০এ হাসপাতালটিকে বাংলা তথা ভারতের গর্ব অন্যতম উজ্বল তারকা চিকিৎসক ও কলেজের প্রাক্তন কৃতি ছাত্র স্যার নীলরতন সরকারের নামে নামাংকিত করা হয়। সেদিন যে চারাগাছটি রোপিত হয়েছিল দেড়শ বছরের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আজ সেটি দেশের অন্যতম প্রধানসারির মেডিক্যাল কলেজ হিসাবে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল স্কুল ও কলেজএর মতো মহিরুহে পরিণত হয়েছে। এই ২০২৩এ চলছে এই প্রতিষ্ঠানের সার্ধশত বার্ষিকি উদযাপন। 


উল্লেখ্য, বর্তমানে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের প্রায় সাঁইত্রিশটি বিভাগে এমবিবিএসে ২৫০ জন ও এম ডি ও এমএসে প্রায় ১২২ জন ছাত্র পড়াশোনা করতে পারে। ডিএম ও এমসিএইচ কোর্সে আসন রয়েছে যথাক্রমে ১৬ ও ১৫টি। ১৯২০ শয্যার এই হাসপাতালে শুধু বর্হি বিভাগেই প্রতিদিন গড়ে প্রায় চার হাজার সাতশ মানুষ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেখাতে আসেন। বিশাল এই কর্মযজ্ঞে দিন রাত চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীরা মানুষের সেবা করে চলেছেন। 


সারা বছর ধরেই চলছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সার্ধশত বার্ষিকি উদযাপন। এরই মধ্যে আগামী ১০ থেকে ১২ই ফেব্রুয়ারি এন আর এস মেডিক্যাল স্কুল ও কলেজ এক্স স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ১৫০ বছর উদযাপন কমিটির উদ্যোগে একটি অনুষ্ঠান হতে চলেছে। দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা। দশ তারিখের মূল অনুষ্ঠান ছাড়াও এই তিনদিনের বিভিন্ন সায়েন্টিফিক সেশন ও ওয়ার্কশপে তাঁরা যোগদান করে অভিজ্ঞতা ও মত বিনিময় করবেন।  


মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এনআরএস মেডিকেল কলেজের প্রাক্তনীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার সৌরভ দত্ত, ডাক্তার মানুষ গুমটা, ডাক্তার দ্বৈপায়ন মুখার্জি , ডাক্তার অমিত দাস ডাক্তার সুজয় ঘোষ প্রমুখ। 


প্রাক্ত নিজের কথায় বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা এবং যারা প্রাক্তনই রয়েছেন তাদের মধ্যে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করতে পারবেন, এছাড়া নবীনরা প্রবীনদের কাছ থেকে চিকিৎসার খুঁটিনাটি জেনে নিতে পারবেন। আশা করা হচ্ছে দেশ-বিদেশ থেকে দু হাজারের বেশি প্রক্তনীরা আসবেন।