অরুণ কুমার সাউ, নন্দকুমার: গ্রামের মাটি থেকে উঠে এসে জাতীয় স্তরে সাফল্য অর্জনের এক উজ্জ্বল নজির গড়লেন নন্দকুমারের দক্ষিণ হাটগেছিয়ার কৃতী সন্তান সৌম্যদীপ মাইতি। ভারতের সেরা মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ISRO (Indian Space Research Organ…
অরুণ কুমার সাউ, নন্দকুমার: গ্রামের মাটি থেকে উঠে এসে জাতীয় স্তরে সাফল্য অর্জনের এক উজ্জ্বল নজির গড়লেন নন্দকুমারের দক্ষিণ হাটগেছিয়ার কৃতী সন্তান সৌম্যদীপ মাইতি। ভারতের সেরা মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ISRO (Indian Space Research Organisation)-এর সর্বভারতীয় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেকানিক্যাল শাখায় সারা দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছেন তিনি। তাঁর এই কৃতিত্বে নন্দকুমার বিধানসভা তথা সমগ্র পূর্ব মেদিনীপুর জেলা এবং বাংলায় আনন্দের হাওয়া।
জানা গেছে, গত ১৪ই অক্টোবর সংশ্লিষ্ট পদের জন্য সৌম্যদীপের সাক্ষাৎকার (Interview) অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৫ই নভেম্বর প্রকাশিত চূড়ান্ত মেধাতালিকায় সর্বভারতীয় স্তরে চতুর্থ স্থান অর্জন করে নিজের অসাধারণ মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দেন তিনি।
সৌম্যদীপের এই অভাবনীয় সাফল্যের খবর পেয়ে তাঁর বাসভবনে গিয়ে আন্তরিক সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা জানান নন্দকুমার বিধানসভার সম্মানীয় বিধায়ক নির্মল খাঁড়া। এই সংবর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত আনন্দময় ও স্মরণীয় হয়ে ওঠে।
সংবর্ধনা জানানোর পাশাপাশি সৌম্যদীপের সাফল্যের নেপথ্যে থাকা দীর্ঘ প্রস্তুতি, কঠোর পরিশ্রমকে সম্মান জানায়।প্রতিকূলতাকে জয় করে এবং গ্রামের পরিবেশে পড়াশোনা চালিয়েও যে মেধা ও অদম্য জেদ থাকলে দেশের শীর্ষে পৌঁছানো যায়, সৌম্যদীপের এই পথচলা তা প্রমাণ করে দিল।
এই সাফল্য প্রসঙ্গে উপস্থিত গুণীজনেরা জানান, সৌম্যদীপের এই অর্জন শুধু নন্দকুমার বা দক্ষিণ হাটগেছিয়ার নয়, পুরো পশ্চিমবঙ্গের কাছে এক পরম গৌরবের বিষয়। আজকের ছাত্রছাত্রী ও যুবসমাজের কাছে সৌম্যদীপ এক বিরাট অনুপ্রেরণা। সঠিক লক্ষ্য স্থির রেখে প্রতিদিন নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে সফলতা আসবেই—এ কথাই আবার মনে করিয়ে দিলেন এই তরুণ বিজ্ঞানী।
সৌম্যদীপের এই অসাধারণ সাফল্যের নেপথ্যে তাঁর পরিবার, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবদান অপরিসীম। তাঁদের সকলের প্রতিও শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। আগামী দিনে দেশের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে সৌম্যদীপ আরও বড় ভূমিকা পালন করবেন এবং দেশের নাম উজ্জ্বল করবেন—এই কামনাই করছেন সকলে।


