Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

দত্তপুরের গ্রামের মানুষের দুর্দশার ছবি

দত্তপুরের নাম মনে আছে,মনে না থাকারই কথা। তবে বেশি দিন আগের কথা নয়। রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিল ওড়িষার সীমায় ঘেষা ছোট্ট গ্রাম দত্তপুরের নামটি। ২১ শে আগষ্ট ২০১৯ দিঘায় এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসংযোগ বাড়াতে ছু…


দত্তপুরের নাম মনে আছে,মনে না থাকারই কথা। তবে বেশি দিন আগের কথা নয়। রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিল ওড়িষার সীমায় ঘেষা ছোট্ট গ্রাম দত্তপুরের নামটি। ২১ শে আগষ্ট ২০১৯ দিঘায় এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসংযোগ বাড়াতে ছুটে গিয়েছিলেন এই গ্রামে। মুখ্যমন্ত্রীর সামনে উঠে এসেছিল গ্রামের মানুষের দুর্দশার ছবি। চালচুলা হীন মানুষ গুলোর দুবেলা দুমুঠো অন্ন জোগাড়ের কঠিন কাহিনি  ফুটেউঠে ছিলো সেদিন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ সেদিন ছুটে গিয়েছিলো প্রশাসনের কর্তা,জেলার সভাধিপতি। প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে গিয়েছিল বাড়ি থেকে খাওয়ার কোন অভাব হবে না।
    করোনার ছায়ায় নেমে এলো সারাবিশ্বে ঘোর অন্ধকার। আর এই দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ গুলোর যদিও কোন মতে পান্তা কাচা লঙ্কা জুটছিল লকডাউন ঘোষণায় তাও বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ দেড় মাসের লকডাউনে জীবন সংগ্রামের কোন রকম তারা বেঁচে আছে। দেখা মেলেনি কোন প্রশাসনের কর্তার। আর সব থেকে মজার ব্যাপার হলো ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে সভাধিপতির বাড়ি হলেও একদিনও আসেননি কেউ বলে অভিযোগ। গরীব মানুষ গুলোর অভিযোগ একদিকে ওড়িশা সীমান্ত সীল,অন্যদিকে সরকারি কোনরকম সহযোগিতা না পেয়ে তাদের অবস্তা শোচনীয়। তবে বাড়ি তৈরি না করা গেলেও সভাধিপতি দেবব্রত দাস এর দাবি সবরকম সহযোগিতা, এবং ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। তবে এই দড়ি টানাটানির মধ্যে দত্তপুরের ৭০ টি পরিবারের অবস্থা যে সঙ্গীন তা গ্রামের মানুষ গুলোকে দেখলে বোঝা যায়। গ্রামের মানুষ গুলোর আবেদনে মুখ্যমন্রী বা তার প্রশাসনের কর্তারা একটু মানবিক হলে বেচেঁ যায় এই যাত্রায়।