রক্তের অভাব পূরণ করতে সরাসরি চলে আসুন তমলুক জেলা হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংকে। মুমূর্ষু রোগীদের বাঁচাতে এভাবেই চলছে রক্ত সংগ্রহ।
স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে হলে যেতে হবে রক্তদান শিবিরে। দীর্ঘ ক্ষণ অপেক্ষা, সময়ের অপচয়। না আপনাকে সময় নষ…
রক্তের অভাব পূরণ করতে সরাসরি চলে আসুন তমলুক জেলা হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংকে। মুমূর্ষু রোগীদের বাঁচাতে এভাবেই চলছে রক্ত সংগ্রহ।
স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে হলে যেতে হবে রক্তদান শিবিরে। দীর্ঘ ক্ষণ অপেক্ষা, সময়ের অপচয়। না আপনাকে সময় নষ্ট না করে আপনি চলে আসুন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলা হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংকে। রক্তদানে ইচ্ছুক যে কোন ব্যক্তি বা কোন সংগঠন সরাসরি ব্লাড ব্যাংকে এসে রক্ত দিয়ে যেতে পারেন। গত দু বছর আগে 2018 সালে প্রথম শুরু করেছিল তমলুক জেলা হাসপাতালে সুপার গোপাল চন্দ্র দাস এর উদ্যোগে। এবছর বিশেষ করে করোণা সংক্রমণের ভয় ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্প অনেকটাই কমে গিয়েছে। যেটুকু রক্তদান শিবির হয়েছে তা সরকারি প্রশাসনের উদ্যোগে। গত দু'বছর ধরে তমলুক জেলা হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংকে ইচ্ছুক রক্তদাতারা সরাসরি এসে রক্ত দিয়ে যাচ্ছেন। এরকমই মেদিনীপুর ক্যুইজ সংগঠনের পক্ষ থেকে 17 জন সদস্য তমলুক জেলা হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংকে এসে স্বেচ্ছায় রক্তদান করে গেলেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে সবার হাতে একটি করে চারা গাছ তুলে দেওয়া হয়। তমলুক জেলা হাসপাতালের সুপার গোপাল চন্দ্র দাস বলেন এইভাবে রক্ত সংগ্রহের ফলে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের রক্ত পেতে আর অসুবিধে হচ্ছে না। বিশেষ করে যেই সময় গোটা দেশজুড়ে লকডাউন চলছে সেই সময় ইচ্ছুক রক্তদাতারা এসে রক্তদান করছেন। ফলে রক্তদান শিবির এর পাশাপাশি ইচ্ছুক রক্তদাতারা সরাসরি ব্লাড ব্যাংকে এসে রক্ত দেওয়ার ফলে অনেকটাই উপকৃত হচ্ছেন রোগীর বাড়ির লোকেরা। সহজেই ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত পেয়ে যাচ্ছেন রোগীর বাড়ির লোকেরা।
