Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

রাত পোহালেই নির্বাচন, নিমতৌড়ি থেকে বুথমুখী ভোট কর্মীরা,জেলাজুড়ে কড়া নিরাপত্তা

অরুণ কুমার সাউ, তমলুক: বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বেজে গিয়েছিল অনেক আগেই। রাত পোহালেই প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন, পূর্ব মেদিনীপুরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। বুধবার সকাল থেকেই জেলার ভোট গ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছানোর তোড়জোড় শুরু হয়ে…


অরুণ কুমার সাউ, তমলুক: বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বেজে গিয়েছিল অনেক আগেই। রাত পোহালেই প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন, পূর্ব মেদিনীপুরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। বুধবার সকাল থেকেই জেলার ভোট গ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। তমলুকের নিমতৌড়িতে অবস্থিত শহীদ মাতঙ্গিনী মহিলা কলেজে তৈরি করা হয়েছে বিশাল ডিসিআরসি (DCRC) বা বিতরণ কেন্দ্র। এখান থেকেই জেলার গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট কর্মীরা তাঁদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে বুথের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন।

শহীদ মাতঙ্গিনী মহিলা কলেজ (নিমতৌড়ি) ডিসট্রিবিউশন সেন্টারের আওতাধীন বিধানসভা গুলি হল তমলুক, পাশকুড়া পূর্ব, পাশকুড়া পশ্চিম, ময়না, চণ্ডীপুর ও নন্দকুমার। মোট বুথ সংখ্যা:৫,০৪০টি (৪৪২০টি মূল বুথ ও ৬২০টি অক্সিলিয়ারি বা সাহায্যকারী বুথ)।পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মহিলা পরিচালিত বুথ ১২৫৩ টি, মোট ভোটারের সংখ্যা ৪১ লক্ষ ৬০ হাজার ২৫৮ জন। নির্বাচন কমিশন এবার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তায় কোনো খামতি রাখতে চাইছে না। এদিন পরিদর্শন করেছেন জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার।


মঙ্গলবারই জেলার বিভিন্ন বুথে ওয়েব কাস্টিং পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রতিটি বুথেই মোতায়েন থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দফতর থেকে নজরদারি চালানো হবে।যে সমস্ত বুথকে 'অতিরিক্ত স্পর্শকাতর' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানে মোতায়েন থাকছে অতিরিক্ত বাহিনী।শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নেমেছে জেলা প্রশাসন। জেলা শাসক নিরঞ্জন কুমার এবং পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা নিজে সমস্ত প্রস্তুতির তদারকি করছেন। সাধারণ ভোটারদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম, যেখানে যেকোনো অভিযোগ জানানো যাবে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে— কোনো প্ররোচনা বা ভয়ে পা না দিয়ে সকলেই যেন নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে বুথমুখী হন। সম্পূর্ণ জেলাজুড়ে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাই এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।