ছড়ায় কবিতা - কথা রাখতে
জয়দেব মাইতি (৩০/০৫/২০২০)
ডাক পড়েনি লকডাউনে - পানুর মনে ব্যাথা -
মনে পড়ে পেটুক পানুর শ্বশুর বাড়ির কথা।
শাশুড়ীমাতার ডাক তো আছে শ্বশুর বাড়িতে -
"আসছে বছর আবার এসো জামাই ষষ্টিতে"।
যেমনি মনে প'ড়লো…
ছড়ায় কবিতা - কথা রাখতে
জয়দেব মাইতি (৩০/০৫/২০২০)
ডাক পড়েনি লকডাউনে - পানুর মনে ব্যাথা -
মনে পড়ে পেটুক পানুর শ্বশুর বাড়ির কথা।
শাশুড়ীমাতার ডাক তো আছে শ্বশুর বাড়িতে -
"আসছে বছর আবার এসো জামাই ষষ্টিতে"।
যেমনি মনে প'ড়লো কথা আনন্দে আটখানা -
বললো - "গিন্নি, বেরিয়ে পড় হাঁটতে হবে টানা।
যানবাহন সব বন্ধ এখন কোন কিছু উপায় নাই -
নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে অগত্যা - হেঁটে যাওয়া তাই।
দোকান বাজার বন্ধ থাকলেও - ক্ষতিটাই বা কি -
গাছের ফল ঘরের মাছ আছে দুধ দই গাওয়া-ঘি।
গিন্নী বলে- সত্যি তুমি আচ্ছা হ্যাংলা হয়েছ বটে -
লোকজন সব বলবে কি - এসব বুদ্ধিও নাই ঘটে!
পানু বলে - আমার কথার মানে তুমি বুঝবে পরে -
আমরা যাবো শুধুই গুরুজনের কথা রাখার তরে।
তোমার যেতে কষ্ট হ'লে- তুমি না হয় থেকো ঘরে -
পেটুক পানু হাঁটা দিয়ে ঠিকই পৌঁছে গেল ভোরে।
এতো ভোরে জামাই দেখে - অবাক শ্বশুর বলে -
কি গো বাবাজীবন তুমি এখন কেমন করে এলে!
তখন পানু হেসে বলে - ওসব খাওয়ার পরে হবে -
পুরো রাস্তা হেঁটেই এলাম - ক্ষিধেয় প্রাণটা যাবে।
শাশুড়ী বেরিয়ে বলে- বুঝতে পেরেছে মায়ের মন
আমি জানি ঠিক আসবেই - আমার বাবাজীবন।
রাখা আছে বাসি-ভাত মাছ লঙ্কা পিঁয়াজ আস্ত -
ব্যবস্থা কিছু হয়ে যাবে- খুকির বাবা হওনা ব্যস্ত।
পানু ভাবে মন্দ কি আর - প্রাণটুকু আগে বাঁচুক -
জামাই ষষ্ঠীর খাওয়া আপাততঃ মাথায় থাকুক।
-- ছন্ন ছড়া --
