Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

মৃত সাজিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ! শুভেন্দুর গড়ে পুলিশের জালে বিজেপি নেতা।তমলুক থানায় বিজেপির বিক্ষোভ।

কাজল মাইতি, দেশ মানুষ : জীবিত  মানুষকে ‘মৃত’ সাজিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। আর সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই সরগরম হয়ে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনীতি। বিজেপি নেতার গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে মঙ্গলবার তমলুক থানা ঘেরা…

 কাজল মাইতি, দেশ মানুষ : জীবিত  মানুষকে ‘মৃত’ সাজিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। আর সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই সরগরম হয়ে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনীতি। বিজেপি নেতার গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে মঙ্গলবার তমলুক থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল পদ্ম-শিবির। অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুর চড়িয়েছে সিপিএম-ও।

এ দিন বিষয়টি নিয়ে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “৩৪৩ জনকে মৃত দেখিয়ে ওই বিজেপি নেতা ভোটার তালিকা থেকে নাম বাতিল করার চক্রান্ত করেছিলেন। আসলে নাগরিকদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়াই বিজেপির লক্ষ্য। যারা মানুষের কাজ করতে পারে না, কেবল বিপদে ফেলে, তাদের এমনই হওয়া উচিত।” একইসঙ্গে এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন সুজনবাবু। তাঁর কথায়, “কমিশন যা করছে, সেটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।”

বিজেপি নেতার গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে তমলুকের জেলখানা মোড় থেকে একটি মিছিল বের করেন বিজেপি কর্মীরা। মিছিলটি তমলুক থানার সামনে পৌঁছলে শুরু হয় ঘেরাও কর্মসূচি। বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন দিব্যেন্দু অধিকারী, তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি মলয় সিনহা এবং তপন বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।

থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে দিব্যেন্দু অধিকারী পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, “মিথ্যে মামলায় বিজেপি কর্মীদের বেছে বেছে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ডিএম, এসডিও কিংবা বিডিও—তৃণমূল জমানায় এঁরা সকলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মচারী হয়ে উঠেছেন। সেই কারণেই অসংগতিপূর্ণ কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে যা সফল হওয়ার নয়। মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট ঠিক জায়গাতেই আঘাত করেছে।”

​বিজেপি নেতৃত্বের মূল অভিযোগ, কোনও তথ্য যাচাই না করেই শুধুমাত্র বিএলও-র অভিযোগের ভিত্তিতে কেন তাঁদের নেতাকে গ্রেপ্তার করা হল, পুলিশকে তার জবাব দিতে হবে। এই গ্রেপ্তারির নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা রয়েছে বলেই দাবি গেরুয়া শিবিরের।