কাজল মাইতি, দেশ মানুষ:জীবিত ভোটারদের ‘মৃত’ সাজিয়ে তালিকা থেকে নাম ছেঁটে ফেলার নেপথ্যে কি বড় কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র কাজ করছে? এই প্রশ্ন তুলে মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিবাদী চেহারা নিল তমলুক। ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়…
কাজল মাইতি, দেশ মানুষ:
জীবিত ভোটারদের ‘মৃত’ সাজিয়ে তালিকা থেকে নাম ছেঁটে ফেলার নেপথ্যে কি বড় কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র কাজ করছে? এই প্রশ্ন তুলে মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিবাদী চেহারা নিল তমলুক। ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া বিজেপি নেতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তমলুক থানার সামনে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখালেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকেরা।
মঙ্গলবার বিকেলে তাম্রলিপ্ত পুরসভার সামনে থেকে তৃণমূলের একটি প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়। শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে মিছিলটি গিয়ে পৌঁছায় তমলুক থানার গেটে। সেখানে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের ‘ষড়যন্ত্রের’ বিরুদ্ধে সোচ্চার হন ঘাসফুল শিবিরের নেতারা। বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুজিত রায়, জেলা নেতা চঞ্চল খাঁড়া-সহ একাধিক কাউন্সিলর ও স্থানীয় নেতৃত্ব।
বিতর্কের সূত্রপাত কয়েক দিন আগে। তমলুকের ২৪২ নম্বর বুথের বিএলও আশফাক আলি বেগ অভিযোগ করেন, বহু সুস্থ ও জীবিত মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ভুয়ো ‘ফর্ম-৭’ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের আঙুল ওঠে বিজেপির দিকে। এই ঘটনায় পুলিশ বিজেপি নেতা অমিত মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
তৃণমূলের অভিযোগ
এ দিনের প্রতিবাদ সভা থেকে তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেন:
কেন্দ্রের শাসক দল ও নির্বাচন কমিশনের একাংশ যোগসাজশ করে তৃণমূলের ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করছে।
ধৃত বিজেপি কর্মীর কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
ভোটার তালিকায় এই ধরনের কারচুপি গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।
বিক্ষোভ সমাবেশের শেষে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল তমলুক থানার আইসি সুমন বগীর সঙ্গে দেখা করে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই চক্রান্তের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।