Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

তমলুকে এক টুকরো তিরুপতি, দক্ষিণি মন্ত্রোচ্চারণে জমজমাট বালাজি আরাধনা

তমলুক, কাজল মাইতি, দেশ মানুষ:  দক্ষিণ ভারতের সেই পরিচিত স্থাপত্য, নাকে ভাসছে চন্দনের ঘ্রাণ আর কানে বাজছে কর্ণাটকী বাদ্যের সুর। নিমেষের জন্য মনে হতেই পারে এটি অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি মন্দির । কিন্তু ভুল ভাঙবে ভিড় দেখে। আসলে দক্ষিণ …

তমলুক, কাজল মাইতি, দেশ মানুষ:  দক্ষিণ ভারতের সেই পরিচিত স্থাপত্য, নাকে ভাসছে চন্দনের ঘ্রাণ আর কানে বাজছে কর্ণাটকী বাদ্যের সুর। নিমেষের জন্য মনে হতেই পারে এটি অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি মন্দির । কিন্তু ভুল ভাঙবে ভিড় দেখে। আসলে দক্ষিণ ভারতের সেই বিখ্যাত তিরুপতি মন্দির এবার সশরীরে হাজির হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক শহরে। শহরের সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন তাম্রলিপ্ত টাউন ক্লাবের হাত ধরে জেলাবাসী মেতে উঠেছেন শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর ওরফে শ্রী বালাজি পুজোয়।

চলতি বছরে এই পুজো সপ্তম বর্ষে পদার্পণ করল। প্রতি বছরের মতো এবারও পুজোর মূল আকর্ষণ তার নিখুঁত আচার-বিধি। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, পুজোর আড়ম্বরে যাতে কোনও খামতি না থাকে, তার জন্য অন্ধ্রপ্রদেশ থেকেই নিয়ে আসা হয়েছে পুরোহিত ও বিশেষ বাদ্যকারদের। স্থানীয় কোনও ব্রাহ্মণ নয়, বরং খাস দক্ষিণ ভারত থেকে আসা পুরোহিতদের মন্ত্রোচ্চারণেই প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছে বিগ্রহের। ভিন রাজ্যের সেই উদাত্ত মন্ত্রপাঠ শুনতে মন্ডপে ভিড় জমাচ্ছেন কাতারে কাতারে মানুষ।

রবিবার সন্ধ্যায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পুজোর উদ্বোধন করেন তমলুক মহকুমা শাসক দিব্যেন্দু মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক সুকুমার দে, তাম্রলিপ্ত পুরসভার পুরপ্রধান চঞ্চল খাঁড়া, টাউন ক্লাবের সভাপতি তথা কাউন্সিলর কানাইলাল দাস সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

পুজোর বিশেষত্ব

দক্ষিণি ছোঁয়া, মন্ডপ সাজানো হয়েছে তিরুপতি মন্দিরের আদলে।

 অন্ধ্রপ্রদেশের বাদ্যকারদের বাজানো বিশেষ বাদ্যযন্ত্রের সুরে মন্ডপ চত্বরে তৈরি হয়েছে এক মায়াবী পরিবেশ।

পুজো উপলক্ষ্যে আগামী চার দিন ধরে চলবে রকমারি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

বিশ্বের অন্যতম বিত্তশালী দেবতা হিসেবে পরিচিত বালাজি। তমলুকের বাসিন্দাদের মতে, কালীপুজো বা দুর্গাপুজোর জাঁকজমক তো রয়েইছে, কিন্তু গত সাত বছর ধরে এই বালাজি পুজো শহরের উৎসবের মানচিত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সোমবার সকাল থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। হাতে লাড্ডু প্রসাদ আর মুখে ‘গোবিন্দা’ নাম— সব মিলিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা সদরে এখন অকাল উৎসবের মেজাজ।