বাবলু বন্দ্যোপাধ্যায়। তমলুক কোলাঘাট ব্লকের টোপা-ড্রেনেজ খালের উপর পরমানন্দপুর মৌজায় এগ্রি-মেকানিক্যাল দপ্তরের একটি রিভার লিফটের মাধ্যমে রূপনারায়ণের জোয়ার জলে প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়। ওই কানেকশনের জন্য গত ২০…
বাবলু বন্দ্যোপাধ্যায়। তমলুক
কোলাঘাট ব্লকের টোপা-ড্রেনেজ খালের উপর পরমানন্দপুর মৌজায় এগ্রি-মেকানিক্যাল দপ্তরের একটি রিভার লিফটের মাধ্যমে রূপনারায়ণের জোয়ার জলে প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়। ওই কানেকশনের জন্য গত ২০২৪ ও ২০২৫ সালের ইলেকট্রিক বিল বাবদ প্রায় ৯৬,০০০ টাকা বাকি থাকে। এ বছর বোরো সিজিনের শুরুতে বকেয়া টাকা আদায়ের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে সম্প্রতি বোরো ধানের চারা রোপনের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর গতকাল ৯ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ দপ্তরের পাঁশকুড়া কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের আধিকারিকেরা লাইন ডিসকানেক্ট করে দিয়েছে। ফলস্বরূপ প্রায় শতাধিক কৃষক চরম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। কৃষকদের অরাজনৈতিক সংগঠন কৃষক সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার বিদ্যুৎ দপ্তরে স্টেশন ম্যানেজারকে এ বিষয়ে স্মারকলিপি দিল
পরিষদের সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন, বিদ্যুৎ দপ্তরের বকেয়া টাকা আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক দপ্তর,তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। প্রয়োজন ছিল-সিজিনের শুরুতেই বকেয়া টাকা আদায়ের লক্ষ্যে কানেকশন হোল্ডারের সাথে কথা বলে কিস্তি(ইনস্টলমেন্টে)'র মাধ্যমে ওই টাকা আদায় করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু তা না করে বোরো ধান চাষের চারা রোপনের পর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিল দপ্তর। আমাদের দাবী- কোনভাবেই কৃষকদের বোরো ধানের চাষ ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না। অবিলম্বে বিদ্যুৎ সংযোগ করে বকেয়া টাকা কিস্তি করে দপ্তর টাকা আদায় করুক। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রূপনারায়ণের জোয়ার জল দেহাটি ও টোপা-ড্রেনেজ খালের মাধ্যমে আসে। খাল থেকে রিভার লিফটের মাধ্যমে পাম্প চালিয়ে ব্লকের বিভিন্ন মৌজার বিস্তীর্ণ অংশে বোরো ধানের চাষ হয়ে থাকে।