ভোট ঘোষণা হতেই ময়দানে নেমে পড়েছেন তিনি। তপ্ত রোদ উপেক্ষা করেই গত এক সপ্তাহ ধরে তমলুক বিধানসভার কোণায় কোণায় ঘুরছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দীপেন্দ্র নারায়ণ রায়। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখা গেল ভিন্ন মেজাজে। হুডখোলা জিপ বা বড় গাড়ি ন…
ভোট ঘোষণা হতেই ময়দানে নেমে পড়েছেন তিনি। তপ্ত রোদ উপেক্ষা করেই গত এক সপ্তাহ ধরে তমলুক বিধানসভার কোণায় কোণায় ঘুরছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দীপেন্দ্র নারায়ণ রায়। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখা গেল ভিন্ন মেজাজে। হুডখোলা জিপ বা বড় গাড়ি নয়, বরং সাধারণ মানুষের আরও কাছে পৌঁছাতে টোটোয় চেপে শহরের অলিগলি ঘুরলেন তিনি।
শহরের অলিগলিতে প্রচার
এ দিন সকাল থেকেই তমলুক শহরের ১৭, ১৮ এবং ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচার চালান দীপেন্দ্রবাবু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাম্রলিপ্ত পুরসভার চেয়ারম্যান বৈদ্যনাথ সিনহা-সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব ও কর্মীরা। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে চলল 'ডোর-টু-ডোর' বা বাড়ি বাড়ি প্রচার।
প্রচার চলাকালীন এক অন্য ছবি ধরা পড়ে এদিন। রাস্তার ধারে ভিড় করা খুদেদের নিরাশ করেননি প্রার্থী। পকেট থেকে চকোলেট বের করে হাসিমুখে তুলে দিয়েছেন ছোট ছোট শিশুদের হাতে। প্রার্থীকে কাছে পেয়ে রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষও তাঁকে ফুল ছুঁড়ে ও হাত নেড়ে অভিনন্দন জানান।
গত এক সপ্তাহ ধরে শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লক এবং তমলুক ১ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন এলাকা চষে ফেলার পর এ দিন শহর এলাকায় প্রচার সারলেন তিনি। জয়ের বিষয়ে এক প্রকার নিশ্চিত দীপেন্দ্রবাবু বলেন:
"সাধারণ মানুষের কাছ থেকে যে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি, তাতে আমি অভিভূত। গতবারের তুলনায় এবার জয়ের ব্যবধান অনেকটাই বাড়বে। এই তীব্র গরমে আমার যেমন কষ্ট হচ্ছে, তেমনই আমার সঙ্গে থাকা কর্মীদেরও ঘাম ঝরছে। তবে এই পরিশ্রম সার্থক হবে যখন আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তমলুক আসনটি উপহার দিতে পারব।"
তমলুক শহরের ১৭, ১৮ ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ড।
সঙ্গী ছিলেন পুরপ্রধান বৈদ্যনাথ সিনহা ও তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকবৃন্দ।
টোটোয় চড়ে জনসংযোগ ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে আশীর্বাদ নেওয়া।
শিশুদের চকোলেট বিতরণ ও সাধারণ মানুষের পুষ্পবৃষ্টি।
রাজনৈতিক মহলের মতে, খরতাপ উপেক্ষা করে প্রার্থীর এই চনমনে ভাব ও জনসংযোগের কৌশল কর্মীবাহিনীর মনোবল বাড়িয়ে দিচ্ছে। এখন দেখার, এই জনসমর্থন ব্যালট বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয়।
কাজল মাইতির রিপোর্ট, দেশ মানুষ