অরুণ কুমার সাউ, ময়না: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য। ময়না পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি সেক শাজাহান আলি তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। ইতিমধ্যেই তিনি তমলুকের মহকুমা শাসকের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তব…
অরুণ কুমার সাউ, ময়না: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য। ময়না পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি সেক শাজাহান আলি তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। ইতিমধ্যেই তিনি তমলুকের মহকুমা শাসকের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে ঠিক কী কারণে এই আকস্মিক পদত্যাগ, তা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রথমে খোলসা করে মুখ না খুললেও, তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে জেলা রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।শাজাহান আলির এই ইস্তফাকে কেন্দ্র করে ময়নার রাজনৈতিক মহল এখন সরগরম। উঠে আসছে একাধিক দাবি ও পাল্টা দাবি। রাজনৈতিক মহলের অনেকের মতে, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে নিজের এলাকায় দলের বিপর্যয় বা 'ভরাডুবি'র নৈতিক দায় স্বীকার করেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ময়নার বিজেপি নেতা উত্তম সিং এই পদত্যাগকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, দুর্নীতি ও তার দায় থেকে রেহাই পেতেই ময়না পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি।সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বিদায়ী সভাপতি সেক শাজাহান আলি।
তিনি নির্বাচনে কারচুপির তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়ে স্পষ্ট জানান, নির্বাচনে কোনো ছাপ্পা ভোট বা রিগিং হয়নি। ময়নার জনগণ ঢালাওভাবে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। জনগণ আমাদের চাননি। আমি ময়নার উন্নয়নের পথে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাই না, তাই এই পদত্যাগ।দলীয় পদে থাকা নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন যে, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো সাংগঠনিক পদে ছিলেন না। তবে তিনি দলেই থাকছেন। ময়নার নবনির্বাচিত বিধায়ক যাতে এলাকার উন্নয়ন করতে পারেন, সেই শুভকামনাও জানিয়েছেন তিনি।
