Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

অর্ধশত কণ্ঠে ‘রবির পুজো’, রবীন্দ্রস্মরণে চাঁদের হাট তমলুকে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। তমলুক শহরের আট থেকে আশি— সব বয়সের নাগরিকদের উপস্থিতিতে এক অনন্য রবীন্দ্র-বন্দনার সাক্ষী থাকল শহরবাসী। তমলুক রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এই প্রথমবার মহেন্দ্র স্মৃতি সদন হলে আয়োজিত হলো বিশেষ অনুষ্ঠ…


দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। তমলুক শহরের আট থেকে আশি— সব বয়সের নাগরিকদের উপস্থিতিতে এক অনন্য রবীন্দ্র-বন্দনার সাক্ষী থাকল শহরবাসী। তমলুক রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এই প্রথমবার মহেন্দ্র স্মৃতি সদন হলে আয়োজিত হলো বিশেষ অনুষ্ঠান ‘রবির কথায় রবির পুজো’। পঁচিশে বৈশাখ উপলক্ষে শনিবার বিকেলে এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে কার্যত ভেঙে পড়েছিল ভিড়।

​দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা অবশেষে বাস্তবায়িত

​উদ্যোক্তা সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের বিভিন্ন প্রান্তের ছোট-বড় মিলিয়ে অর্ধশত শিল্পীকে এক সুতোয় বেঁধে নৃত্যের মাধ্যমে কবিপ্রণাম জানানোর পরিকল্পনা ছিল দীর্ঘদিনের। লক্ষ্য ছিল, তমলুক শহরের ৮ থেকে ৮০ বছর বয়সিদের একই মঞ্চে নিয়ে আসা। এ বছর সেই পরিকল্পনা কেবল বাস্তবায়িতই হয়নি, বরং জনপ্রিয়তার নিরিখে প্রত্যাশা ছাপিয়ে গিয়েছে। কমিটির দাবি, ‘অর্ধশত কণ্ঠ’ বলা হলেও সমবেত কণ্ঠে রবি-স্মরণ করতে আসা মানুষের উপস্থিতির হার ছিল কয়েক গুণ বেশি।

​রবীন্দ্রনাথের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এ দিন তমলুকের বেশ কিছু কৃতি ও গুণী ব্যক্তিত্বকে উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল ৫০ জন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠ ও নৃত্যের সমন্বয়ে নিবেদিত গীতি-আলেখ্য ‘রবির কথায় রবির পুজো’। কবিতার ছন্দে আর গানের সুরে রবি-স্মরণে মুখরিত হয়ে ওঠে মহেন্দ্র স্মৃতি সদন।


​উদ্যোক্তারা জানান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল বাংলা সাহিত্যের যুগস্রষ্টা বা নোবেলজয়ী কবি নন, তিনি বাঙালির যাপনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আয়োজকদের কথায়:

​"আগামী প্রজন্মের কাছে রবীন্দ্রনাথের জীবন দর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। কবিগুরুকে কেবল পঁচিশে বৈশাখের গণ্ডিতে আটকে না রেখে, সারা বছর তাঁর সৃষ্টির চর্চা ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।"

​শনিবারের এই অনুষ্ঠান ঘিরে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। রবীন্দ্রনাথের প্রতি তমলুকবাসীর এই আবেগ প্রমাণ করে দিল, বাঙালির হৃদয়ে আজও তিনি চিরকালীন ধ্রুবতারা।

কাজল মাইতির রিপোর্ট, দেশ মানুষ