Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

"রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক অমৃত মাইতির সমগ্র জীবন"

#এক নজরে সমগ্র জীবন#
 "অমলিন স্মৃতি*/অমৃত মাইতি 
মানুষ হিসেবে লম্বা চওড়া শিক্ষা দীক্ষা ,ছোটখাটো মাপের কোনো দিক দিয়ে ব্যাখ্যা করা চলে না আমাকে। তেমন কোনো বিস্তার কিংবা গভীরতা কোনটাই উল্লেখযোগ্য নয়। নিজেকে মাজা ঘষা করা একজন পর…


#এক নজরে সমগ্র জীবন#

 "অমলিন স্মৃতি*/অমৃত মাইতি 

মানুষ হিসেবে লম্বা চওড়া শিক্ষা দীক্ষা ,ছোটখাটো মাপের কোনো দিক দিয়ে ব্যাখ্যা করা চলে না আমাকে। তেমন কোনো বিস্তার কিংবা গভীরতা কোনটাই উল্লেখযোগ্য নয়।
নিজেকে মাজা ঘষা করা একজন পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে মনে করি।।তবুও ,কিছু উল্লেখযোগ্য স্মৃতি যা আমার কাছে স্মরণযোগ্য। আমার জন্ম তারিখটি একটি তালপাতার কোষ্ঠী থেকে সংগ্রহ করা। ১৯৪৫ সালের ১৩ই মার্চ আমার জন্ম। সেদিন ছিল ফাগুন মাসের ২৯ তারিখ।
পাকা রাস্তা থেকে, রেললাইন থেকে অনেক দূরে একটি সবুজ গ্রাম। এভাবে আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন একনিষ্ঠ কর্মী বাবা প্রতাপচন্দ্র মাইতির পক্ষে সম্ভব ছিল না আমাকে দেখাশোনা করার। আমি তখন প্রায় বয়ে যাওয়া এক হইচই করা এরকম দামাল ছেলে।রাত্রিতে অন্ধকার নির্জন পরিবেশ। একটি সাধারণ আটপৌরে গ্রাম। গ্রামের নাম শিবরামপুর থানা নন্দীগ্রাম জেলা মেদিনীপুর (এখন পূর্ব মেদিনীপুর) পশ্চিমবঙ্গ ভারত। স্বাধীনতা সংগ্রামের ঢেউ লেগেছিল গ্রামে। আমার বা আমাদের বাপ ঠাকুরদারা সেই ঢেউয়ে সাঁতার কেটেছেন অকাতরে। ইংরেজরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছেন। বাবা স্বাধীনতা সংগ্রামী। তেভাগা আন্দোলনের কর্মী। ৪২ এর আগস্ট আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল তাঁর। খুব ছোটবেলা থেকেই আন্দামানের সেলুলার জেল ফেরত তেভাগা আন্দোলনের নেতা ভূপাল পান্ডার সঙ্গে আমার আলাপ । তিনি আমার বাড়িতে আসতেন তাই ।গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে গেছে হিজলি 
টাইডেল ক্যানেল। কলকাতা থেকে দক্ষিনে যাওয়ার যাওয়ার একমাত্র জলপথ ছিল এই ক্যানেল। এই পথেই গান্ধীজী রবীন্দ্রনাথ ডি এল রায় বঙ্কিমচন্দ্র প্রমুখরা গিয়েছেন দক্ষিনে।খেজুরি বন্দর থেকে বিদেশ রওনা হ্য়েছেন জাহাজে রাজা রামমোহন রায় ১৯৩০ সালের ২০ শে নভেম্বর। পরে খেজুরি বন্দর দিয়ে বিলের যাত্রা করেছিলেন দ্বারকানাথ ঠাকুর ।খেজুরি বন্দর সংলগ্ন এলাকাগুলোতে চলছিল তখন "মগের মুল্লুক"। ছিল পর্তুগিজদের দাপট। নন্দীগ্রাম এবং খেজুরি একই এলাকাভুক্ত ,যদিও দুটি আলাদা থানা। আর এই খেজুরিতেই প্রথম ডাকঘর  স্থাপিত হয়এশিয়া মহাদেশের মধ্যে এবং টেলিগ্রাম লাইনও এখানেই প্রথম হয়েছিল। নন্দীগ্রাম খেজুরি একেবারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকা।
নন্দীগ্রামের মত একেবারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন জায়গাতে আমি জন্মেছিলাম। আমার গ্রাম থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে মেদিনীপুর শহর। ১৭০ কিলোমিটার দূরে ঝাড়গ্রাম তারপরে ঝাড়খন্ড রাজ্য। শহরে বাস করার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নত থাকায় তখনকার সময় অনেক সুযোগ সুবিধা ছিল তখন কার সঙ্গে যারা শহরে বাস করতেন। রাজনীতি সাহিত্য সংস্কৃতি ক্ষেত্রে যোগাযোগ ব্যবস্থারও একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। লেখাপড়া থেকে বিভিন্ন বিষয় নিজেকে তৈরি করার তেমন সুযোগ ছিল না আমার জীবনে। বাবার কাছ থেকে সরাসরি কোন শিক্ষা গ্রহণ না করেও একজন মস্ত বড় মাপের  মানুষকে দেখে যেটুকু উৎসাহ উদ্দীপনা নিজের মধ্যে তৈরি হয়েছিল। তাই দিয়ে আমার জীবন গড়া। রাজনীতির পাশাপাশি সাহিত্য সংস্কৃতির স্পর্শ ছিল সংস্কার মুক্ত মা-বাবার মধ্যে। আমার মায়ের নাম করুণাময়ী।
# ১৯৬৭ সাল যুক্তফ্রন্ট সরকারকে ভেঙে দেওয়া হল। উত্তাল সারা রাজ্য। সেই উত্তাল ঢেউয়ে আমিও ঝাঁপিয়ে পড়ি। বাবার কাছ থেকে পাওয়া লড়াই সংগ্রামের রক্ত। মেদিনীপুর সেন্ট্রাল জেল বেশ কিছুদিনের জন্য আমার হলো ঠিকানা। আন্দোলনকারীরা সকলের ছাড় পেয়ে গেলেও আমাকে ছাড়া হলো না। এক মস্ত বড় পুলিশ অফিসার কে মারার জন্য আমার ঠাঁই হল মেদিনীপুর সেন্ট্রাল জেলের একটি সেলের মধ্যে। তারপর নির্ধারিত দিনে হল টি আই প্যারেড। একটি ফুটফুটে কলেজে পড়া বাচ্চা ছেলে দেখে পুলিশ অফিসারটি ইচ্ছাকৃতভাবে চিনতে পারলেন না। ছাড় পেলাম আমি। করে কাঁথি ।সাব ডিভিশন জেলে । কাঁথি সাব ডিভিশন জেলে অনশন করে অনশন করেছিলাম। পুনরায় মেদিনীপুর সেন্ট্রাল জেলে গেলাম রাজনীতির আন্দোলনের কারণে।
#১৯৬৯ সাল শিলিগুড়িতে বেঙ্গল প্রভিন্সিয়াল স্টুডেন্টস ফেডারেশনের রাজ্য সম্মেলন। আমি ডেলিগেট। তখন ফারাক্কা ব্রিজ হয়নি। তারপরে কেরলে গঠিত হলো সর্বভারতীয় সম্মেলনে এস এফ আই। শিলিগুড়িতে আলাপ হলো কমরেড বিমান বসু শ্যামল চক্রবর্তী অনিল বিশ্বাস সুভাষ চক্রবর্তীদের সঙ্গে। সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত বিমান দার সঙ্গে আমার সম্পর্ক অটুট আছে। মেদিনীপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে বেরিয়ে আসার পরে 
প্রবাদপ্রতিম বিপ্লবী আন্দোলন সেলুলার জেল ফেরত স্বাধীনতা সংগ্রামী কমরেড সুকুমার সেনগুপ্ত পিঠ ছাপড়ে দিয়ে বললেন সাবাস। তারপরে অজস্র গণ আন্দোলনে অংশগ্রহণ ছাত্র-যুবক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নিজেকে জড়িয়ে ফেললাম এবং নিয়োগে তৈরি করার চেষ্টা করলাম। বাড়িতে খাওয়া পরার। অভাব না থাকলেও  পার্টি কমিউনকে শ্রেষ্ঠ আবাস মনে হয়েছিল। আমিতো কোন একেবারে ঘর ছাড়া বাউন্ডুলে মানুষ। তেভাগা আন্দোলন করতে গিয়ে জোতদারের মিথ্যা মামলায় বাইশটা বছর কেটে গেছে কোটে হাজিরান দিতে দিতে।
#১৯৬৯ সালে শিলিগুড়িতে কনফারেন্স করতে গিয়ে চলে গেলাম নকশালবাড়ি। ভয়ঙ্কর উৎসাহ উদ্দীপনা রোমাঞ্চকর মনে হয়েছিল সমস্ত কিছু। উত্তাগ লেগেছিল নকশাল আন্দোলনের। প্রভাবও পড়েছিল কম নয়।
# গোটা নন্দীগ্রাম থানা তখন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন  এলাকা। গ্রামের চারপাশে সাত কিলোমিটারের মধ্যে কোন হাট-বাজার দোকানপাট ছিল না । গণআন্দোলন করতে করতে মনে হল একটি যোগাযোগের কেন্দ্র গড়ে তোলা দরকার। অন্তত কিছু দোকানপাট গঞ্জ গড়ে তুলতে না পারলে নিজেদের প্রয়োজন মিটবে কি করে। আমরা কতিপয় যুবক একটি বাজার গোড়া পরিকল্পনা করলাম ১৯৭০৭১৭২ সালের দিকে। বাজারে বয়স এখন প্রায় ৫৪ বছর। প্রচুর মেহনত করেছি বাজারে জন্য। বাজারটি হয়ে উঠল রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কাজকর্মের কেন্দ্রবিন্দু। 
স্বাভাবিক কারণেই এই অঞ্চলে একটু এগিয়ে থাকা  মানুষ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে। রাস্তাঘাট ব্রিজ পোস্ট অফিস প্রভৃতি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবং দায়িত্ব নিয়ে করেছিলাম। রাজনৈতিক কাজে, সামাজিক কাজে একেবারে সর্বক্ষণের নিবেদিত প্রাণ। 
#আমার ব্যক্তিগত আনন্দ বেদনার সঙ্গী প্রয়াত মলিনা মাইতির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলাম ১৯৭৫ সালের ১২ই মে। তিনি আমার অভিভাবক ছিলেন।
#আমার রাজনৈতিক জীবনে বেশ কয়েকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল যা ব্যক্তিগত ঝুঁকি নিয়ে ফয়সালা করতে পেরেছিলাম। সম্ভবত ১৯ ৭৯/৮০ সাল। আমার নিজের অঞ্চলের দক্ষিণে খেজুরি থানা। একেবারে বর্ডারে দুই রাজনীতির দলে ভয়ঙ্কর সংঘর্ষ ।তখন চলছিল জমি দখলের লড়াই। আমার বাড়ি থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে। খবরটি এসেছিল যে কোন সময় নিশংস লড়াই পথ নিতে পারে। ছুটে গেলাম সেখানে। কংগ্রেস এবং সিপিআইএমের লড়াই। আমাদের দলের অনন্ত দাস নামে একজন কর্মী এতটাই উন্মত্ত হয়ে গিয়েছিল তার হাতে একটি বিরাট তরোয়াল আমি দেখে অবাক হয়ে গেছি। আমি ছুটে গিয়ে দু দলের সামনেই দাঁড়িয়ে পড়লাম। অনন্ত আমাকে দেখে অস্ত্রটি প্রয়োগ করতে না পেরে উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে মূর্ছা যায়। বিরোধী পক্ষের একজন ডাক্তার ছিলেন সামনে। বললাম এবার আপনার কাজ চিকিৎসা করুন। এক মিনিট দেরি হয়ে গেলে কি হতো বলা মুশকিল। আরেকটি ঘটনা মুগবেড়িয়া অঞ্চলের জুখিয়াতে হরিজনপল্লীর উপর হামলা। দুই বাম দলে সংঘর্ষ। খবর পেয়ে
একা ছুটে যাই সেখানে। হরিজন পল্লির কয়েকজন এখানে ওখানে পড়ে আছে মাটিতে। একটি ঢোল ফাটিয়ে দিয়েছে বিরোধী পক্ষ। আমি হরিজন পল্লীর পক্ষে। বিরোধী যারা ছিল তারাও বামপন্থী আমাকে চিনতে বহুদিন থেকে। আমাকে দেখে চলে গেল। সরে গেল সেখান থেকে। পুলিশ ছিল নিশ্চুপ। গালাগালি করলাম। তারপরে আহতদের হাসপাতালে পাঠালাম। আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল ১৯৬৮ সালের দিকে। তখন ছাত্র আন্দোলন করি। ছাত্র পরিষদের ছেলেরা আমাকে ঘিরে ফেলে। আমরা খুব দুর্বল ছিলাম। আমাকে ঘিরে ফেলেছে শুনে একটু দূরের গ্রাম জুখিয়া থেকে এক তেভাগা আন্দোলনের নেতা ধরণীধর জানা(অশ্বিনী জানার বাবা) এক বিশাল বাহিনী নিয়ে আমাকে উদ্ধার করতে আসে। ওদের আসার খবর পেয়ে কংগ্রেসী ছেলেরা পালিয়ে যায়। ততক্ষণে আমাদের মাইক চলে এসেছে বক্তৃতা দিচ্ছি আমি। ধরণীদা বললেন অমৃত তোকে এভাবে বাঁচানো যাবে না। এইসব কথাগুলো খুব মনে পড়ে আমার। নিজের জীবনটাই নিজের কাছে শিক্ষা। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়  ১৪ই মার্চ ২০০৭ সাল নন্দীগ্রামের ভয়াবহ ঘটনা। ১৪ই মার্চের ঘটনা তো ইতিহাস হয়ে আছে নন্দীগ্রামের মাটিতে। ১৫ ই মার্চ কেউ যেতে পারছে না বাইরে  থেকে। কোন দলের কোন নেতা কোন পাবলিক নন্দীগ্রামে ঢোকার পথে আটকে যাচ্ছে। একজন মানবিক মানুষ হিসাবে আমি ভীষণ ঝুঁকি নিলাম। গোটা নন্দীগ্রাম যখন উত্তপ্ত। যেকোনো সময় যেকোনো জায়গাতে সংঘর্ষ লেগে যেতে পারে। হাসপাতালে মানুষগুলো কাতরাচ্ছে। যেভাবে হোক যেতে হবে। আমার বাড়ি নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকে। আমার যথেষ্ট পরিচিতি এবং গণমানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। যে কোনো রাজনীতি দলের কাছ থেকে সমীহ পেতাম। আমি কিছুতেই ঢুকতে পারছিলাম না নন্দীগ্রামে। তুমি বাঁচাও কমিটি তখন ভয়ঙ্কর উন্মাদ। ওদের মধ্যে পরামর্শ হয় এবং আমাকে হাসপাতাল পর্যন্ত ওরাই পৌঁছে দেয়। সেদিন খুব ভয় করছিল আমার,। রাজনৈতিক জীবনে এমন অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। ভগবান মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। কিন্তু এই চারটি ঘটনা আমি কিছুতেই মন থেকে মুছতে পারছি না।
#স্থানীয়ভাবে দলের মধ্যে (সি পি আই এম) খাতির বিড়ম্বনায় পড়লাম। যৌবনের শুরুতে সাধের রাজনৈতিক সংগঠনকে হারালাম। রাতে চোখের জলও ফেলেছিলাম।
হাতে খড়ি হয়েছিল তো ওই দলে । এডজাস্টমেন্ট হলো না দীর্ঘদিনের লড়াই সংক্রান্ত সঙ্গী সাথীদের দায় দায়িত্ব নিয়ে আর এস পি তে জয়েন করলাম। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শহর সমগ্র অবিভক্ত মেদিনীপুরে চরকির মত।ঘুরে বেড়ালাম দলীয় কাজে। সমগ্র ঝারগ্রাম মহকুমা চষে ফেললাম। আদিবাসীদের জীবন জীবিকাকে ভালোবেসে ফেললাম। 
#দলের নির্দেশে ওড়িশায় চলে গেলাম ,। প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে দিন রাত এক করে ফেললাম। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য স্মৃতি হলো ওড়িয়া ভাষাতে বই । খুবই উল্লেখযোগ্য ঘটনা এটি দলের জন্য একটি লিটারেচার তৈরি করতে পেরেছিলাম। বিধানসভা নির্বাচনগুলিতে লড়াই করেছি পাটির টিকিটে।  কোন দায়িত্ব নেই কারোর ওই অঞ্চলগুলো ধরে রাখার। এবং যোগাযোগ রক্ষা করার কোন দায় দায়িত্ব কারুর নাই। 
#২০০০ সালে গড়ে তুললাম জীবনানন্দ উৎসব কমিটি। একের অত্যন্ত গ্রামের খুব সামান্য লোকই চিনতো জানতো জীবনানন্দ কে! জন্ম শতবর্ষকে কেন্দ্র করে জাঁকজমকপূর্ণ পরপর তিন বছর মেলা এলাকার মানুষকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। দেশ-বিদেশের গুণী মানুষরা লেখকরা উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিরা এই মেলায় উপস্থিত হয়েছিলেন। এটি একটি স্মরণীয় ঘটনা। এরপর কি মেলা সংগঠিত করা গ্রামের মধ্যে কত সহজে ব্যাপার ছিল না। একুশে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠান করেছি আমরা এই গ্রামেই এই বাজারে। পরবর্তীকালে ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক রূপসী বাংলা অর্পণ অনুষ্ঠান প্রথম করেছি কলকাতা বাংলা একাডেমি। তারপরেই পুরস্কার পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দেয়া হয়। জীবনানন্দ উৎসব কমিটির অনুষ্ঠান ঢাকা শহরের তিনবার এবং আগরতলা শহরে একবার অনুষ্ঠিত হয়েছে এইসব অমূল্য স্মৃতি আমার জীবনে মাঝে মাঝে আনন্দ দেয়। কিন্তু সবকিছু ধরে রাখার মত উত্তরসূরী না থাকলে হারিয়ে যায়। নানান রাজনৈতিক উত্থান পতনের সবকিছু শেষ হয়ে গেল। শুধু স্মৃতিটুকু থেকে গেল।
আমি আমার জীবনে সাহিত্য সংস্কৃতির বহু অনুষ্ঠান করেছি, পেয়েছি বহু বন্ধুবান্ধবকে। তাদের সকলের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।
#পার্টির রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য হওয়া এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হওয়ার আমার কাছে নিশ্চয়ই এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 
#আমি কন্যাকুমারী গিয়েছি, পাঁচ বার। কেন্দ্রীয় কমিটির মিটিং এ গিয়েছি ত্রিবান্দম এছাড়া উইলনে কনফারেন্স করতে গিয়ে কন্যাকুমারী যাওয়া।
#উটি কোডাইকানাল মাদুরাই প্রকৃতিরতম মহাবলীপুরম কাঞ্চিপুরাম প্রকৃতি বহু দর্শনীয় স্থানে আনন্দ অমন করতে পেরেছিলাম। ভারতবর্ষের উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণেই ভ্রমণ সম্ভব হয়েছিল। 
#খুব ছোটবেলা কমরেড ভূপাল পান্ডার কাছ থেকে সেলুলার জেলের গল্প শুনে শুনে মনে হয়েছিল এটা একটি তীর্থক্ষেত্র। তাই জীবনের অপূর্ন স্বাদ মিটাতে পেরেছি আমি পরপর দুবার গিয়ে । কবিতায় লিখেছি জারোয়াদের জীবন যাপন। সমগ্র আন্দামানের ভ্রমণ কাহিনী লিখেছি দর্শনীয় স্থান গুলি নিয়ে।
#বিপ্লবী সুকুমার সেনগুপ্তের সঙ্গে আরএসপির জেলা সম্পাদক হিসেবে বামফ্রন্ট করেছি। আমার জীবনের আর এক উল্লেখযোগ্য স্মৃতি। একসময় তিনি ছিলেন আমার রাজনৈতিক গুরুদেব। তাঁর সঙ্গেই শরীক দলের পার্টনার হিসেবে অবিভক্ত মেদিনীপুরের বামফ্রন্টের নেতা হিসাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলাম।
#পশ্চিমবাংলার বামফ্রন্ট সরকারের দুই মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে পাশাপাশি বসে বড় বড় জনসভা করেছি। এই বিরল অভিজ্ঞতাটুকু আমার জীবনে সঞ্চয়। অতীতের মতো আজ আমি সিপি আই এমের ঘরের মানুষ। আমি নিশ্চয়ই কৃতজ্ঞ বামফ্রন্টের কাছে। "আমি একজন প্রোপাগান্ডিস্ট"বইটি জেলা বামফ্রন্টকে উৎসর্গ করেছি। আজও বামফ্রন্টের সঙ্গে এবং সিপিআইএমের সঙ্গে আমার সম্পর্ক অক্ষুন্ন আছে।
#১৯৭১ সাল থেকে যে স্বপ্ন দেখেছিলাম বাংলাদেশ যাওয়ার ,তা বাস্তবে পূরণ করেছিলাম ২০০৩ সালে। একজন বামপন্থী মানুষ হিসেবে গণমাধ্যমের দ্বারা আমার একটু পরিচিতি ওপার বাংলায় হয়েছিল। তার সুফল পেয়েছিলাম আমি । ব্যক্তিগত সম্পর্ক ব্যবহারের কারণে খুব দ্রুত আমার বন্ধুত্ব বাংলাদেশের বহু মানুষের সঙ্গে গড়ে উঠেছিল। আজও সেই সম্পর্ক নিখুঁত এবং অটুট আছে। এই ভালোবাসার কারণেই বাংলাদেশে আমার থাকা খাওয়ার কোন সমস্যা হয়নি কোনদিন। 
#একটি উল্লেখযোগ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি এস তে আমার জন্মদিন উৎসব।(ওরা উৎসব হিসেবে চিহ্নিত করেছিল ব্যানারে ) বড় বড় ব্যানার পোস্টারে সেদিন ঢাকা  ইউনিভার্সিটি চত্বর ছেয়ে গিয়েছিল। খবরের কাগজেও আমার লেখার আলোচনা বেরিয়েছিল। এই  অমূল্য পাওনা ভুলে যাই কি করে।
#বোলপুরে গীতাঞ্জলিতে কয়েকটি লিটিল ম্যাগাজিন মিলিত ভাবে আমার জন্মদিন উদযাপন করে২০০৭ সালের ২৩ ই মার্চ।
#ঢাকাতে জাতীয় কবিতা পরিষদের উৎসবে আমি গিয়েছিলাম টানা ১১ বার।
#কবি জীবনানন্দ দাশের বই নিয়ে শুয়ে থাকতাম বিছানায়। বরিশাল ছিল আমার স্বপ্নের মত। হয়তো শুধু স্বপ্ন দেখবো যেতে পারবো না কোনদিন! হ্যাঁ গিয়েছিলাম বরিশাল ভ্রমণ করেছি। ভ্রমণ পথ ধরে রাখার জন্য লিখেছিলাম "দিয়েছিল একরাত্রি দিতে পারে যত।"
স্বপ্ন সফল হয়েছে আমার। সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল বহু মানুষের সঙ্গে। 
#আর এক তীর্থভূমি ও স্বপ্নভূমি চট্টগ্রাম। মাস্টারদা সূর্যসেনের চট্টগ্রাম। গণেশ ঘোষ প্রীতিলতা কল্পনা দত্ত এদের পদ স্পর্শ রয়েছে চট্টগ্রামের মাটিতে। আমি একবার ছোঁব সেই মাটি। চট্টগ্রাম থেকে ২৪ জন বিপ্লবীকে নিয়ে কলকাতা বন্দর হয়ে সেলুলারnজেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।আমার জন্ম সার্থক হয়েছে এই তীর্থ ভূমিতে যেতে পেরে। গণেশ ঘোষের পার্টি ক্লাস এটেন্ড করেছিলাম আমি তমলুকের রাজবাটিতে।
জীবনানন্দের কবিতায় বিপ্লবী চেতনা দ্বিতীয় সংস্করণ চট্টগ্রামে উদ্বোধন হয়েছিল এবং আলোচনা হয়েছে।
#চট্টগ্রাম গিয়েছি আমি মোট চারবার। বারবার সেখানে যেতে ইচ্ছে করে। এখান থেকে গিয়েছিলাম কক্সবাজারে, একটি সাহিত্য সভায় অংশগ্রহণ করতে। পৃথিবীর সবচাইতে দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার ১২০ কিলোমিটার।জ্বলজ্বল করছে সেই ছবি। চট্টগ্রাম প্রাচীন বন্দর কলকাতা থেকে। পর্তুগিজরা প্রথম এখানে ঢুকে ছিল। আর এই বন্দরে  মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে নেমে এসে মিলিত হয়েছে কর্ণফুলী নদী।। মনে হয় হাজার হাজার জাহাজ দাঁড়িয়ে আছে এই বন্দরে। এখান থেকে যেতে হয় সীতাকুণ্ড এবং চন্দ্রনাথ পাহাড় আমাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। এখানকার সাহিত্যিক বন্ধুদের অন্তরের শব্দ আমি প্রতি মুহূর্তে শুনতে পাই ।
#নদী চর খাল বিল গজারির বন /টাংগাইল শাড়ি তার  গর্বের ধন" ২০০৫ সালে আমি যখন প্রথম গেলাম টাঙ্গাইল তখন সাহিত্যিক উচ্ছাস আমাকে এখনো স্পর্শ করে আছে। সেখানে আমাকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল স্বরব্যঞ্জন সাহিত্য পুরস্কার। আমি এখানে গিয়েছিলাম মাত্র আট বার। এখানকার বন্ধুরা বলেন আপনার বাড়িত তো এখানে আপনি আমাদেরই লোক। সর্বত্র আমি আপন হয়ে যাই আপন ব্যবহারে। 
#ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে ময়মনসিংহ। মইনুল আবেদীনের সংগ্রহশালায়া রাত কাটানোর কথা ভুলতে পারিনা আমি।
২০১১ সালে আমি প্রথম যাই সেখানে। সেখানে একটি নামই স্কুলে আসর বসে ছিল সাহিত্যের। "কবিতা বাংলা" থেকে আমাকে সম্বর্ধনা দেয়া হয়। ফরিদ আহমেদ দুলাল পরে আমাকে শুনিয়েছিল এখানেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ময়মনসিংহের মানুষ সম্বর্ধনা দিয়েছিলেন এবং রবীন্দ্রভারতী পড়ার জন্য দুহাত ভরে অর্থ সাহায্য করেছিলেন। সেদিন আমি খুবই পুলকিত হয়েছিলাম।
ময়মনসিংহ আমি গিয়েছিলাম চারবার। 
#আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা "বাংলাদেশের হৃদয় হতে'সংগঠনের পক্ষ থেকে কানাডায় একুশে পদক প্রাপ্তিতে সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান হয় ঢাকায় "পাঠক সমাবেশে"। উদ্যোক্তারা লিখেছিলেন ,বাংলা ভাষার কবি অমৃত মাইতি। আমি কৃতজ্ঞ তাদের কাছে।
#আমার জীবনের স্মরণীয় ঘটনা মন্ট্রিয়লে (কানাডায়) একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনে আমন্ত্রিত হয়ে সেখানে যাওয়া । ফেব্রুয়ারি মাস পুরো কানাডা বরফে মোড়া থাকে। ২০১৮ সালে এই বয়সে একাকী প্রায় ২৬ /২৭ ঘন্টা জার্নি করে যাওয়া। মাইনাস ৩০ থেকে ৩৬ ডিগ্রি ঠান্ডাতে. দশ দিন কাটানো কি ভয়ংকর কষ্টকর। না আমি অবলীলায় গেছি এবং ফিরে এসেছি কোন শরীর খারাপ করেনি। আমন্ত্রণ ছিল কানাডা বাংলাদেশ সলিডারিটির।
#আসাম ও মেঘালয় ভ্রমণ। "যুগশঙ্খে" লেখা হলো 
"হঠাৎ বৃষ্টির মত অমৃত মাইতি"। লিখলেন কবি সাংবাদিক এবং সম্পাদক তুষার সাহা। কি অদ্ভুত শিহরণ।সেখানে ভ্রমণ হলো বন্ধুত্ব হল সম্পর্ক গড়ে উঠলো। আজও গৌহাটির সঙ্গে প্রায় প্রতিদিনের যোগাযোগ আমার রয়েছে। উল্লেখযোগ্য হলো গৌহাটি সহ বরাক উপত্যকায় আমার বই পত্র রয়েছে ভ্রমণের সময় দেখেছিলাম। মেঘালয় ভ্রমণ তো যেকোন ভ্রমণ পিপাসুর কাছে ভীষণ আকর্ষণীয়।
#আমার সুইট হোম ত্রিপুরা। যখন খুশি তখন সেখানে চলে যাওয়া। মন খারাপ করুক আর না করুক। ত্রিপুরা আমাকে আপন করে নিয়েছে। সেখানে অনেকগুলো বই উদ্বোধন হয়েছে আমার। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জননেতা মানিক সরকার কয়েকটি বই উদ্বোধন করেছেন আমার। আমার প্রাপ্তির ঘর ভরে আছে। ঊনকোটি আমার তীব্র আকর্ষণের জায়গা। রোমাঞ্চকর ।পাহাড় আর সবুজে ঘেরা বনাঞ্চল। রাতুল দেব বর্মন এবং রামেশ্বর ভট্টাচার্য জোর করে নিয়ে যান "বাঁশগ্রামে"। আমার জীবনে প্রথম দেখলাম এই বাঁশগ্রাম। প্রয়াত সুধাময় মজুমদারের কথা খুব মনে পড়ে দুর্গা বাড়ি চা বাগানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ পবিত্র কর নানান ভাবে আমাকে সহযোগিতা করেন সেখানে। বলার অপেক্ষা রাখে না উত্তর পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে দর্শনীয় একটি সুন্দর ছোট্ট রাজ্য ত্রিপুরা।
#আমার জীবনের সর্বোত্তম পাওয়া"অমৃত গ্রন্থাগার"
মাননীয় মানিক সরকার মহাশয় গ্রন্থাগারটি উদ্বোধন করে আমাকে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করেছেন। সু বিখ্যাত শিক্ষাবিদ সুদিন চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত থেকে একটি ইতিহাস রচনা করে দিয়েছেন। এই সবকিছুর অর্থাৎ লাইব্রেরীটির মূল উদ্যোক্তা নিমতৌড়ি তমলুক উন্নয়ন সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রীতিভাজন যোগেশ সামন্ত।
যোগেশের সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গির আমি প্রশংসা করি।

আমার বই 

ক বি তা
১) দায়বদ্ধ ২) চেতনার পান্ডুলিপি ৩) ঈপ্সিতা তোমাকে 
৪) কবিতায় বানভাসি ৫) গোলাপবাগে চৈত্রের বাতাস 
৬) ভাবি বসে বসে ৭) জলের আক্রোশ ও আহ্লাদের সাথে 
৮) নৌকো আটকে রাখো কেন ৯) প্রজ্ঞার আকাশে সহজ সমীকরণ ১০) নির্বাচিত কবিতা ১১) পাড় ভাঙ্গে প্রতিদিন 
১২) ভালোবাসি পদ্মার পানি (বাংলাদেশ) ১৩) প্রবাসী পাখির গান (বাংলাদেশ) ১৪) কিছু উচ্চারণ (বাংলাদেশ) 
১৫) হৃদয় যেন এক পথিক (বাংলাদেশ) ১৬) সব অক্ষর পাথর হয়ে যাবে ১৭) সমীকরণের খেলাঘর ১৮) জটিল অশ্রু খেলা ১৯) প্রিয় কবিতা ২০) বাদাম বালিকা ২১) প্রেম ও চেতনার কবিতা ২২) কবিতার জন্য তুমি ২৩) একলা চলাই পথ ২৪) অনুগত মধ্যরাত ২৫) জেগে ভিতরের মানুষ ২৬) আত্মক্ষরন (বাংলাদেশ) ২৭) কাঁচ ঘর ২৮) ধানসিঁড়ি কি নদী ২৯) মন পুড়লে পলাশ ৩০) অন্য মেঘ ভিন্ন রং ৩১) ও কিছু নয় ৩৩) প্রেম ও নির্জনতা (বাংলাদেশ) ৩৪) তিনটি দীর্ঘ কবিতা ৩৫) Facebook থেকে পেজবুক ৩৬) শ্রেষ্ঠ কবিতা ৩৭) আমাদের কবিতা 
৩৮) আমি নদী পাখি ৩৯) ডিসেম্বরের কবিতা৪০) সাফল্যের সিঁড়ি (যন্ত্রস্থ)৪১) একশত কবিতা(যন্ত্রস্থ)
#দীর্ঘ কবিতা#
৪২)মানস ভ্রমণ ৪৩) মানুষ কী চাইছে ৪৪) ভোরের গদ্য 
৪৫) দাম্পত্য ৪৬) কেন ফিরে দেখি ৪৭) অদৃষ্টের পান্ডুলিপি ৪৮) মামনিকে সত্যি কথা ৪৯) একটি গদ্য ৫০) জীবন কি অদ্ভুত অনুভবের গল্প বলে ৫১) ও কিছু নয় ৫২) কপাল ফের ৫৩) তিনটি ঝরঝরে মুখ।
##গল্প#
৫৪) কামিনী কেন ফুটলো ও অন্যান্য গল্প 
৫৫) নির্বাচিত গল্প 
৫৬) পাতার আড়ালে পাখি (অনুগল্প/যন্ত্রস্থ) 
##কাব্য নাটক##
৫৭)কলস পাতা
৫৮) আগুনের গান 
##উপন্যাস##
৫৯) অন্ধকারে একা 
৬০) জীবন ধারা 
৬১) নীল ধূসর 
৬২) কখনো আকাশ কখনো মেঘ
##অন্য গ্রন্থ##
৬৩) নির্বাচিত অমৃত মাইতি 
,৬৪) লংমার্চের জীবন (যন্ত্রস্থ) 
৬৫) বর্ণময় অমৃত 
৬৬) অনন্য অমৃত 
৬৭) শুভেচ্ছা বার্তা (অমৃত গ্রন্থাগার) 
##প্রবন্ধ##
৬৮) প্রসঙ্গ মার্কসবাদ ও আরএসপি 
৬৯) প্রসঙ্গ মার্কসবাদ ও আর এস পি (উড়িয়া ভাষাতে অনুবাদ) 
৭০) কবিতা কথা বলে কবিতাতে 
৭১) বস্তুবাদী বিবেকানন্দ।,(প্রথম সংস্করণ) 
৭২) বস্তুবাদী বিবেকানন্দ (দ্বিতীয় সংস্করণ)
৭৩) জীবনানন্দের কবিতায় বিপ্লবী চেতনা (প্রথম সংস্করণ) 
৭৪) জীবনানন্দের কবিতায় বিপ্লবী চেতনা (দ্বিতীয় সংস্করণ) 
৭৫) গণচেতনায় রবীন্দ্রনাথ 
৭৬) রবীন্দ্রনাথ বিবেকানন্দ জীবনানন্দ 
৭৭) রাজনীতিতে পঞ্চাশ
৭৮) নির্বাচিত প্রবন্ধ 
৭৯) কাঁটা ও ফুল
৮০) জীবন এক অভিজ্ঞতা 
৮১) মানুষ কি ইন্সট্রুমেন্ট ?
৮২) সংকীর্ণ রেখা 
৮৩) উত্তর পর্ব (প্রথম সংস্করণ)
৮২) উত্তর পর্ব (দ্বিতীয় সংস্করণ) 
৮৩) মাটি মানুষ ভালোবাসা 
৮৪) জীবন যেন এক অপ্রয়োজনীয় খড় 
৮৫) একটি মানুষের গল্প 
৮৬) স্মৃতিচারণ 
৮৭) জীবনের কোলাহল
(৮৮) সৃষ্টির প্রচ্ছদ (কবিতার বই)
৮৯) বঞ্চনার বিরুদ্ধে বাংলার কৃষক ও উত্তরকাল
৯০) রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব ও স্থায়িত্ব 
৯১) নীল জলে বন্দী (আন্দামান) 
৯২) বুদ্ধিজীবী প্রসঙ্গ 
৯৩) শিল্পী সাহিত্যিকরা কি মেহনতী মানুষের জীবনে বহিরাগত? 
৯৪) ভ্রমণ 
৯৫) নারী: নেতিবাচক নয় ইতিবাচক 
৯৬) ঈশ্বরের প্রতারক
,৯৭) কে (কবিতার বই)
৯৮) সাহিত্যে উদ্দেশ্যহীন যাত্রা
৯৯) আত্মক্ষরণ(অনু কবিতার সংকলন)
১০০)কোন ক্লান্তি নেই(কবিতা)
১০১)ঘুম ভাঙ্গলে।(প্রবন্ধ)
 ১০২) লেখার মোটিভ।
১০৩) এপার ওপার 
১০৪) অমৃত অনুভব
১০৫) অমলিন স্মৃতি