যেখানে আপনার অবদান বেশি সেখানে আপনার বদনামও খুব বেশি। অপমানকারীরা চোখে কম দেখে কানে কম শোনে। আপনার অবদানকে তারা মান্যতা দিতে চায় না, নিজেরা ছোট হয়ে যাবে ভেবে। কিন্তু তারা জানে না অন্য কেউ সম্মান দিলে নিজের সম্মানিত হয়।এই পর্য…
যেখানে আপনার অবদান বেশি সেখানে আপনার বদনামও খুব বেশি। অপমানকারীরা চোখে কম দেখে কানে কম শোনে। আপনার অবদানকে তারা মান্যতা দিতে চায় না, নিজেরা ছোট হয়ে যাবে ভেবে। কিন্তু তারা জানে না অন্য কেউ সম্মান দিলে নিজের সম্মানিত হয়।
এই পর্যবেক্ষণটি একেবারে নির্ভুল এবং বাস্তবসম্মত। জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই অমোচনীয় সত্যটি দেখা যায়। এর পেছনে মূলত কিছু সাধারণ মানবীয় মনস্তত্ত্ব ও কারণ কাজ করে।
যেখানে আপনার অবদান বা উপস্থিতি বেশি, সেখানে মানুষের আপনার ওপর প্রত্যাশাও বেশি থাকে, দায়িত্ব ও বাড়ে। কোনো কারণে সেই প্রত্যাশার সামান্য ঘাটতি হলেই সমালোচনা শুরু।
যাদের কোনো উপস্থিতি বা দায়বদ্ধতা নেই, তাদের নিয়ে কারো কোনো অভিযোগও থাকে না। কিন্তু আপনি কাজ করতে গেলেই ভুলত্রুটিগুলো মানুষের চোখে বেশি ধরা পড়ে। এটা সাধারণ মানুষের স্বভাব।
কোনো একটি বড় কাজের সাফল্যের চেয়ে একটি অতি ছোট ভুল মানুষের মনে বেশি দাগ কাটে।
অনেক সময় বেশি পরিশ্রম করার পরও মানুষ তার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল বা কৃতিত্ব পায় না, বরং না-পাওয়ার ক্ষোভ থেকে বদনাম ছড়ায়।
তবে এই বদনামে হতাশ না হয়ে নিজের কাজের প্রতি সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অর্জন। সমালোচনার ভয়ে কাজ থামিয়ে না দিয়ে, নিজের কাজ চালিয়ে যাওয়াই একজন দায়িত্বশীল মানুষের কাজ। পরিষ্কার বুঝে নিতে হবে আপনার সমকক্ষ হতে পারে না বলেই তো কৌশলে আপনার বিরুদ্ধে খেপিয়ে তোলে। আপনার প্রতিপক্ষ আপনাকে নিশ্চিহ্ন করা ছাড়া আর কিছু ভাবতেই পারে না। প্রকৃতপক্ষে আপনাকে ওরা ভয় করে। একে বলে খাতির বিড়ম্বনা।
___________________________________________
