Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

ময়নার চন্ডী মায়ের মন্দিরে মহতী বনসৃজন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

অরুণ কুমার সাউ, ময়না:* পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়নের বার্তা দিতে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার ঐতিহ্যবাহী চন্ডী মায়ের মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল একটি মহতী বৃক্ষরোপণ ও বনসৃজন কর্মসূচি। স্থানীয় গ্রাম কমিটির সক্রিয় সহযোগিতা…



অরুণ কুমার সাউ, ময়না:* পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়নের বার্তা দিতে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার ঐতিহ্যবাহী চন্ডী মায়ের মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল একটি মহতী বৃক্ষরোপণ ও বনসৃজন কর্মসূচি। স্থানীয় গ্রাম কমিটির সক্রিয় সহযোগিতায় এবং বিশিষ্ট বৃক্ষপ্রেমী দিলীপ কুমার পাত্রের বিশেষ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।এদিনের এই পরিবেশবান্ধব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী গৌতম দরবার, শিক্ষক শ্যামল কুমার জানা এবং উদ্যোক্তা তথা বৃক্ষপ্রেমী দিলীপ কুমার পাত্র সহ এলাকার অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও গ্রামবাসীরা।অনুষ্ঠানটি কেবল প্রতীকী বৃক্ষরোপণের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। মন্দির প্রাঙ্গণ ও তার আশেপাশের এলাকায় পরিবেশের উপযোগিতা এবং সৌন্দর্যায়নের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ রোপণ করা হয়। এর মধ্যে যেমন  ছায়াদানকারী গাছ রয়েছে ঔষধি গাছও রয়েছে । বিশিষ্টজনেদের বক্তব্য ও পরিবেশ বার্তা
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন।গৌতম দরবার বলেন -"বর্তমান সময়ে পরিবেশের যে পরিস্থিতি, তাতে পৃথিবীকে বাঁচাতে ও পরিবেশ রক্ষায় আমাদের আরও বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। প্রত্যেকেরই উচিত এই উদ্যোগে সামিল হওয়া।"
উদ্যোক্তা ও বৃক্ষপ্রেমী দিলীপ কুমার পাত্র বলেন, "কেবলমাত্র দূষণ রোধ বা জীববৈচিত্র্য রক্ষাই নয়, পরিকল্পিত বনসৃজন আগামী দিনে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যেও আমাদের সাহায্য করতে পারে। তাই আমাদের আরও বেশি করে বৃক্ষরোপণ করতে হবে।"অন্যদিকে, শিক্ষক শ্যামল কুমার জানা  বছরভর পরিবেশ চর্চার ওপর জোর দিয়ে বলেন, "শুধু বিশ্ব পরিবেশ দিবসের একদিনের আড়ম্বরে গাছ লাগিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। বছরের প্রতিটি দিনই পরিবেশ রক্ষায় সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে।"গ্রাম কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, চারাগাছগুলো রোপণ করার পর সেগুলো যাতে সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে, তার জন্য নিয়মিত জল দেওয়া এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। চন্ডী মায়ের মন্দিরে আসা পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থীদের কাছে এই সবুজ চত্বর আগামী দিনে একটি বাড়তি আকর্ষণ ও সচেতনতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী উদ্যোক্তারা।