অরুণ কুমার সাউ,তমলুক*: দেশ-বিদেশের ঘরে ঘরে এবার পৌঁছে যাবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকের ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক বর্গভীমা মন্দিরের গৌরবগাথা। ৫১ সতীপীঠের অন্যতম এই পবিত্র দেবস্থানের মাহাত্ম্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে ভারতীয় ডাক বিভা…
অরুণ কুমার সাউ,তমলুক*: দেশ-বিদেশের ঘরে ঘরে এবার পৌঁছে যাবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকের ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক বর্গভীমা মন্দিরের গৌরবগাথা। ৫১ সতীপীঠের অন্যতম এই পবিত্র দেবস্থানের মাহাত্ম্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে ভারতীয় ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হলো একটি বিশেষ ডাক খাম। ডাক বিভাগের এই অভিনব উদ্যোগে খুশির হাওয়া সমগ্র তমলুক জুড়ে।
হাজার বছরেরও বেশি প্রাচীন মা বর্গভীমার এই মন্দির। ধর্মীয় বিশ্বাস, লোকগাথা এবং সুপ্রাচীন ইতিহাসের এক অপূর্ব মেলবন্ধন এই দেবস্থান। এবার সেই ইতিহাসকেই সম্মান জানাল ভারতীয় ডাক বিভাগ।এই বিশেষ ডাক খাম প্রকাশকে কেন্দ্র করে এদিন তমলুক বর্গভীমা মন্দির চত্বরে তৈরি হয়েছিল এক উৎসবমুখর পরিবেশ। মা বর্গভীমার চরণে বিশেষ পূজা-অর্চনা ও যজ্ঞের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয় এই স্পেশাল পোস্টাল কভারটি।অনেকের মতে, এই খামটি কেবল চিঠি আদান-প্রদানের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং তমলুকের প্রাচীন ঐতিহ্যকে বহন করার একটি ঐতিহাসিক দলিল হয়ে থাকবে। খামের সামনের অংশে রয়েছে মা বর্গভীমার এক অপরূপ ছবি। পেছনের অংশে স্থান পেয়েছে শতাব্দীপ্রাচীন মন্দিরের ছবি এবং এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও ঐতিহ্য।এদিনের এই গৌরবময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁদের মধ্যে ছিলেন তমলুক ডাক ডিভিশন প্রধান অসিতকুমার মহান্তি,বর্গভীমা মন্দিরএর প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত সেবায়েত
শিবাজী অধিকারী ,মহকুমা শাসক সৌভিক মুখার্জি, প্রাক্তন বিধায়ক ব্রহ্মময় নন্দ ও অন্যান্য অতিথিরা।
উপস্থিত অতিথিরা জানান, এই উদ্যোগের ফলে মা বর্গভীমার মহিমা এবং তাম্রলিপ্ত (তমলুক) অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইতিহাস শুধু দেশের বুকেই নয়, আন্তর্জাতিক স্তরেও মানুষের কাছে আরও ব্যাপকভাবে পৌঁছে যাবে। ডাক বিভাগের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে আপামর ধর্মপ্রাণ মানুষ।
