অরুণ কুমার সাউ, তমলুক: রাজ্য জুড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষকদের 'র্যাশনালাইজেশন' (Rationalisation) বা শিক্ষক পুনর্বণ্টনের নির্দেশ জারি করেছে রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের এই সিদ্ধান্তের আবহেই আজ পূর্ব মেদিনী…
অরুণ কুমার সাউ, তমলুক: রাজ্য জুড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষকদের 'র্যাশনালাইজেশন' (Rationalisation) বা শিক্ষক পুনর্বণ্টনের নির্দেশ জারি করেছে রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের এই সিদ্ধান্তের আবহেই আজ পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক বা ডি আই (প্রাথমিক)-এর নিকট এক স্মারকলিপি প্রদান ও ডেপুটেশন পেশ করল 'বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি' (BPTA)।সমিতির পক্ষ থেকে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কেবল সারপ্লাস (উদ্বৃত্ত) শিক্ষকদের কাছ থেকেই ট্রান্সফারের আবেদন গ্রহণ করতে হবে। শিশুদের সঠিক শিক্ষার স্বার্থে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শ্রেণীভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ সুনিশ্চিত করা। ক্ষেত্রবিশেষে ৫০ জন ছাত্রের ক্ষেত্রে ৩ জন এবং ১০০ জন ছাত্রের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শ্রেণীশিক্ষক বণ্টন করা।বয়স্ক, অসুস্থ এবং শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী শিক্ষকদের সারপ্লাস ট্রান্সফারের আওতা থেকে ছাড় দেওয়া বা বিশেষ মানবিক বিবেচনা করা।
যেসব শিক্ষক আগামী এক বছরের মধ্যে অবসর নেবেন, তাঁদের সারপ্লাস ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের হিসাবের বাইরে রাখা।সংগঠনের জেলা সম্পাদক সৌমিত্র পট্টনায়ক বর্তমান পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে বলেন "বিগত দিনে শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি, স্বজনপোষণ এবং কোনো সঠিক নিয়ম-নীতি না মেনে বদলির কারণেই আজকের এই অচলবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার সার্বিক স্বার্থে প্রথমে সমস্ত বিদ্যালয়ে শ্রেণীভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ সুনিশ্চিত করা উচিত, তার পরেই সারপ্লাস নির্ধারণ ও ট্রান্সফার প্রক্রিয়া কার্যকর করা প্রয়োজন।"
