নিজস্ব প্রতিবেদক, পশ্চিম মেদিনীপুর ... শুক্রবার ছিল পূণর্যাত্রা। প্রভু জগন্নাথ, বলরাম ও শুভদ্রা মাসি বাড়ি থেকে জগন্নাথ মন্দিরে ফিরলেন রথে চড়ে। যা উল্টোরথ নামে পরিচিত। চলতি বছরে এই দিনে অর্থাৎ ২৪ জুলাই, প্রয়াত হয়েছেন দুই বিখ…
নিজস্ব প্রতিবেদক, পশ্চিম মেদিনীপুর ... শুক্রবার ছিল পূণর্যাত্রা। প্রভু জগন্নাথ, বলরাম ও শুভদ্রা মাসি বাড়ি থেকে জগন্নাথ মন্দিরে ফিরলেন রথে চড়ে। যা উল্টোরথ নামে পরিচিত। চলতি বছরে এই দিনে অর্থাৎ ২৪ জুলাই, প্রয়াত হয়েছেন দুই বিখ্যাত বাঙালি। ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক, বিদ্যাসাগরের প্রিয় ছাত্র লেখক কালীপ্রসন্ন সিংহ প্রয়াত হয়েছেন এই দিনে ১৮৭০ সালে। বাংলা সাহিত্যে তাঁর দুই অমর অবদান সমূহের জন্য চিরস্মরনীয় হয়ে আছেন। সেগুলো হল, বৃহত্তম মহাকাব্য মহাভারতের বাংলা অনুবাদ এবং তাঁর বই 'হুতোম প্যাঁচার নক্শা।'অপরজন এই দিনে ১৯৮০ সালে প্রয়াত হয়েছেন। যাঁর প্রকৃত নাম অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়। যিনি ছিলেন একজন ভারতীয়-বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা, চিত্রপ্রযোজক, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, সঙ্গীত পরিচালক ও গায়ক।
আমরা উনাকে উত্তম কুমার নামে জানি। বাংলা চলচ্চিত্র জগতে তাঁকে ‘মহানায়ক’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এই দুই বিখ্যাত বাঙালিকে শ্রদ্ধা জানালেন 'মেদিনীপুর ইতিহাস ও সংস্কৃতি পরিষদ' এর সদস্যবৃন্দ। আজ সকালে ছিল নবগঠিত এই পরিষদের দ্বিতীয় আলোচনা সভা। সভা শুরুর পূর্বে দুই বাঙালি ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য- গবেষক ড. মধুপ দে, শিক্ষক ও লেখক অতনু মিত্র, শিক্ষক ও সাংবাদিক সুদীপ খাঁড়া, শিক্ষক নরসিংহ দাস, ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক ও লেখক মণিকাঞ্চন রায় এবং শিক্ষক ও গবেষক সন্তু জানা। আলোচনা সভার পূর্বে এই দুই বিখ্যাত বাঙালির অবদান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়। আলোচনা সভার সভাপতি মধুপ দে বলেন - 'আমাদের কাজই হলো মেদিনীপুরের সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ক। তবে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে যাঁদের অবদান রয়েছে, তাঁদের শ্রদ্ধা জানানোও আমাদের কর্তব্য।'

