অরুণ কুমার সাউ, তমলুক: শুভ রথযাত্রার পুণ্য তিথিতে প্রকাশিত হলো আঞ্চলিক ইতিহাস ও লোক সংস্কৃতি গবেষক জয়দীপ পন্ডার নতুন গবেষণা ধর্মী গ্রন্থ "বিভাস তীর্থ দেবী বর্গভীমা মন্দির"। জয়দীপ পন্ডার লেখা ও সম্পাদনায় সমৃদ্ধ এই বইটির…
অরুণ কুমার সাউ, তমলুক: শুভ রথযাত্রার পুণ্য তিথিতে প্রকাশিত হলো আঞ্চলিক ইতিহাস ও লোক সংস্কৃতি গবেষক জয়দীপ পন্ডার নতুন গবেষণা ধর্মী গ্রন্থ "বিভাস তীর্থ দেবী বর্গভীমা মন্দির"। জয়দীপ পন্ডার লেখা ও সম্পাদনায় সমৃদ্ধ এই বইটির আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করেন বর্গভীমা মন্দির কমিটির শ্রদ্ধেয় সভাপতি শিবাজী অধিকারী।কিংবদন্তি,উপকথায় ঘেরা দেবী বর্গভীমার কাহিনী যুগে যুগে প্রত্নবিদ ও ইতিহাস প্রেমীদের কাছে এক পরম বিস্ময়। গবেষক শ্রীমান জয়দীপ পন্ডা দীর্ঘদিন ধরেই আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন এবং নিরন্তর উল্লেখযোগ্য গবেষণা করে চলেছেন। "বিভাস তীর্থ দেবী বর্গভীমা মন্দির" গ্রন্থটি তাঁর সেই নিষ্ঠাবান গবেষণারই এক অনন্য ফসল।সম্পূর্ণ রঙিন এই পুস্তিকাটিতে দেবী বর্গভীমা ও তমলুকের ইতিহাসকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বইটিতে স্থান পেয়েছে মায়ের আবির্ভাবের ইতিহাস, কিংবদন্তি এবং লোকশ্রুতি,মন্দিরের প্রাচীন গঠনশৈলী এবং দশমহাবিদ্যার শুভ আবির্ভাবের ইতিহাস।
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর দেবী দর্শন কাহিনী এবং বিভিন্ন ইংরেজ গবেষকদের লেখায় দেবী বর্গভীমার প্রসঙ্গ। ৫১ সতীপীঠের অন্যতম এই বিভাস তীর্থের পুঙ্খানুপুঙ্খ ইতিহাস বর্ণনা। বইটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এতে যুক্ত করা হয়েছে বেশ কিছু বিরল ও দুষ্প্রাপ্য ছবি।বিশেষজ্ঞদের মতে: এই গ্রন্থে আলোচিত প্রতিটি তথ্যপূর্ণ বিষয় ইতিহাস অনুরাগী ও সাধারণ পাঠক মহলে দারুণ সাড়া ফেলবে এবং সকলকে সমৃদ্ধ করবে।রথযাত্রার এই পবিত্র দিনে বইটির প্রকাশ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে উপস্থিত ইতিহাসপ্রেমী ও পুণ্যার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

