নিজস্ব প্রতিবেদক, পশ্চিম মেদিনীপুর : মাত্র ৭বছর ৭ মাস বয়সেই আবৃত্তিতে বিশেষ কৃতিত্ব দেখিয়ে "ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস" এর স্বীকৃতি অর্জন করলো অর্কস্মিত পাখিরা (মিশুক)। এই অল্প বয়সেই আবৃত্তি ক্ষেত্রে অসাধারণ প্রতিভার স…
নিজস্ব প্রতিবেদক, পশ্চিম মেদিনীপুর : মাত্র ৭বছর ৭ মাস বয়সেই আবৃত্তিতে বিশেষ কৃতিত্ব দেখিয়ে "ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস" এর স্বীকৃতি অর্জন করলো অর্কস্মিত পাখিরা (মিশুক)। এই অল্প বয়সেই আবৃত্তি ক্ষেত্রে অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে "ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস" এ স্থান করে নেওয়ার গৌরব অর্জন করল মেদিনীপুর শহরের নজর গঞ্জের বাসিন্দা, চুয়াডাঙ্গা স্কুলের শিক্ষক ড: হীরুলাল পাখিরা এবং মনোহরপুর রাজারামচন্দ্র বিদ্যানিকেতনের শিক্ষিকা শ্রীমতি প্রিতিশা দে -এর একমাত্র সন্তান অর্কস্মিত পাখিরা। এই প্রতিভাবান শিশুটি রয়েল একাডেমী বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র। এই সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই আনন্দ ও গর্বে ভাসছে অর্কস্মিত এর পরিবার, বিদ্যালয় ও শুভানুধায়ীরা।
ছোটবেলা থেকেই আবৃত্তির প্রতি অর্কস্মিত এর বিশেষ আগ্রহ। নিয়মিত অনুশীলন, নিষ্ঠা ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে সে তার প্রতিভাকে আরো বিকশিত করেছে। তার স্পষ্ট উচ্চারণ, সাবলীল উপস্থাপনা ও আবৃত্তির প্রতি ভালোবাসায় তাকে এই বিশেষ স্বীকৃতির পথে এগিয়ে নিয়ে গেছে। তার এই সাফল্যের পিছনে পরিবারের পাশাপাশি রয়েছেন তার আবৃত্তির গুরুমা যার নিরলস প্রশিক্ষণ ও প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সাফল্যের এই মুহূর্ত তাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের ও স্মরণীয়। তবে এই সাফল্য অর্জনকে তারা অর্কস্মিত এর ভবিষ্যৎ পথ চলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবেই দেখছেন। পরিবার, শিক্ষক- শিক্ষিকা ও এলাকাবাসীর তরফ থেকে অর্কস্মিতের জন্য আশীর্বাদ ও শুভকামনা জানানো হয়েছে যাতে আগামী দিনে সে তার প্রতিভাকে আরো বিকশিত করে আবৃত্তি জগতে আরো বড় সাফল্য অর্জন করতে পারে।
মাত্র ৭ বছর ৭ মাস বয়সীর এই শিশু শিল্পীর কৃতিত্ব শুধু তার পরিবারের নয় মেদিনীপুরের জন্যও এক গর্বের মুহূর্ত। তার এই সাফল্য আগামী প্রজন্মের শিশুদেরও নিজেদের প্রতিভা ও স্বপ্নকে অনুসরণ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।



