Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

সরকারি নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল? 'অভয়া'র স্মরণে নীরবতা পালনে গাফিলতির অভিযোগ তাম্রলিপ্ত মেডিক্যালের বিরুদ্ধে

কাজল মাইতি , দেশ মানুষ​রাজ্য সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা সত্ত্বেও ‘অভয়া’র স্মরণে নীরবতা পালন নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ উঠল তমলুকের তাম্রলিপ্ত গভরমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও হাসপাতালে কোনও নীরবতা পাল…

 


কাজল মাইতি , দেশ মানুষ

​রাজ্য সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা সত্ত্বেও ‘অভয়া’র স্মরণে নীরবতা পালন নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ উঠল তমলুকের তাম্রলিপ্ত গভরমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও হাসপাতালে কোনও নীরবতা পালন করতে দেখা যায়নি বলে দাবি। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমের নজরে আসতেই তড়িঘড়ি তা পালনে উদ্যোগী হন কর্মী-নার্সদের একাংশ। কিন্তু ছুটির দিনে প্রশাসনের এই শিথিলতা ও উদাসীনতা নিয়ে ইতিমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে বড়সড় প্রশ্ন।

​ঘটনার সূত্রপাত রবিবার সকালে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ ছিল, নির্দিষ্ট সময়ে অভয়ার উদ্দেশ্যে নীরবতা পালন করতে হবে রাজ্যের সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানে। কিন্তু অভিযোগ, সকাল ১১টা ১০ বেজে গেলেও তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজে তা পালনের কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি। হাসপাতালে জরুরি পরিষেবা সচল থাকলেও নীরবতা পালনের নির্দেশ রূপায়ণে দেখা যায় চরম অনিচ্ছা। নেই কোনও প্রশাসনিক আধিকারিকও।

​সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তড়িঘড়ি হাসপাতাল চত্বর থেকে বেরিয়ে এসে নীরবতা পালন করেন কর্তব্যরত কয়েকজন নার্স ও কর্মী। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে কেন এই বিলম্ব?


​কর্তব্যরত নার্সদের দাবি, তাঁদের কাছে নীরবতা পালনের সরকারি নির্দেশিকা পৌঁছাতেই সকাল ১১টা বেজে গিয়েছিল। নির্দেশিকা পেতে দেরি হওয়ার কারণেই প্রক্রিয়াটি শুরু করতে বিলম্ব হয়েছে। অন্যদিকে, ঘটনার দায় এড়িয়েছেন হাসপাতালের শীর্ষ আধিকারিকেরা। তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজের ডেপুটি সুপার ভাস্কর বৈষ্ণব দূরভাষে জানান, তিনি বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। তাঁর কথায়, "নির্দেশিকা আগেই পাঠানো হয়েছে। কিন্তু রবিবার হাসপাতালে কী হচ্ছে, তা আমার জানা নেই।" ইমারজেন্সিতে দায়িত্বরত এক চিকিৎসকও এই নির্দেশিকা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

​রবিবার ছুটির দিনে প্রশাসনিক কর্তারা অনুপস্থিত থাকলেও ইমারজেন্সি বিভাগে চিকিৎসক ও নার্সরা উপস্থিত ছিলেন। তা সত্ত্বেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নির্দেশিকা বাস্তবায়নে এমন সমন্বয়হীনতা ও গাফিলতি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহল। সংবাদমাধ্যমের চাপে পণ্ডশ্রম ঢাকতে তড়িঘড়ি নীরবতা পালন করা হলেও, গোটা ঘটনায় হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নজরদারি নিয়ে বিতর্ক থেকেই যাচ্ছে।