অরুন কুমার সাউ, তমলুক: জাঁকজমক ও শ্রদ্ধার্ঘ্যের মধ্য দিয়ে পালিত হলো তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের ৭৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত পূর্ব মেদিনীপুরের এই ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।…
অরুন কুমার সাউ, তমলুক: জাঁকজমক ও শ্রদ্ধার্ঘ্যের মধ্য দিয়ে পালিত হলো তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের ৭৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত পূর্ব মেদিনীপুরের এই ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত শ্রুতিনাথ চক্রবর্তী এবং স্থানীয় শিক্ষাবিদ, দেশপ্রেমিক ও শিক্ষা-উৎসাহী মানুষের আন্তরিক এবং সমন্বিত প্রচেষ্টায় আজ থেকে প্রায় আট দশক আগে এই কলেজের পথচলা শুরু হয়। মঙ্গলবার সকালে তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্বর্গীয় শ্রুতিনাথ চক্রবর্তীর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদানের মাধ্যমে এদিনের অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।
বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ইতিহাস স্মরণ
উদ্বোধনী পর্বের পর কলেজের মূল অডিটোরিয়াম হলে একটি আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে কলেজের অধ্যাপক-অধ্যাপিকা এবং উপস্থিত আমন্ত্রিত অতিথিরা তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। এরপর কলেজের সংগীত ও সাংস্কৃতিক বিভাগের অধ্যাপক- অধ্যাপিকা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের যৌথ অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।
উপস্থিত সম্মানিত অতিথিবৃন্দ
এদিনের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তমলুক রামকৃষ্ণ মিশনের শ্রুতিসারানন্দজি মহারাজ অধ্যাপিকা সঞ্চিতা মুখার্জি,পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ সভাধিপতি বামদেব গুছাইত ,প্রাক্তন বিধায়ক ব্রহ্মময় নন্দ ,অধ্যাপক পৃথ্বীরঞ্জন পাহাড়ি, অধ্যাপক কৃষ্ণচন্দ্র পাত্র। এছাড়াও মহাবিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা বিপুল সংখ্যায় উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত ও আনন্দমুখর করে তোলেন। এদিন জেলা সভাধিপতি বামদেব তিনি তার বক্তব্যের মাধ্যমে মহাবিদ্যালয় পড়াকালীন স্মৃতিচারণা করেন।


