নিজস্ব প্রতিবেদক,বেলদা, পশ্চিম মেদিনীপুর : শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর ১১৯ তম আত্মোৎসর্গ দিবসে তাঁর ফাঁসির সময়কে মান্যতা দিয়ে বিহারের মুজঃফফরপুর ক্ষুদিরাম বসু কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশাপাশি বেলদায় ভোর ৪টা ২০ মিনিটে বেলদা স্টেশনে শহিদের মূর…
নিজস্ব প্রতিবেদক,বেলদা, পশ্চিম মেদিনীপুর : শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর ১১৯ তম আত্মোৎসর্গ দিবসে তাঁর ফাঁসির সময়কে মান্যতা দিয়ে বিহারের মুজঃফফরপুর ক্ষুদিরাম বসু কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশাপাশি বেলদায় ভোর ৪টা ২০ মিনিটে বেলদা স্টেশনে শহিদের মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। ১৯০৮ এর ১১ আগষ্ট বিহারের মুজঃফফরপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে মেদিনীপুরের অগ্নিকিশোর ক্ষুদিরাম বসুকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল অত্যাচারী ইংরেজ।
স্বাধীনতার পরে মুজঃফফরপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের নাম হয় ক্ষুদিরাম বসুর নামে। প্রতিবছর ১১ আগষ্ট সেই কারাগারে ভোর ৪টা ২০ মিনিটে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। ২০২৩ এর ১১ আগষ্ট বিহারের মুজঃফফরপুর শহিদ ক্ষুদিরাম বসু কেন্দ্রীয় কারাগারের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন বেলদা এলাকার ৩ সাংবাদিক। তাঁদেরই অন্যতম শিক্ষক ও সাংবাদিক অখিলবন্ধু মহাপাত্র ১১ আগষ্ট বাংলায় ভোরে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করার প্রস্তাব দেন মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থা বেলদা আঞ্চলিক ইউনিটের কাছে। সেই প্রস্তাব অনুসারে মঙ্গলবার ভোরে মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থা বেলদা আঞ্চলিক ইউনিট এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থা বেলদা আঞ্চলিক ইউনিটের সভাপতি সূর্যকান্তি নন্দ, সম্পাদক পুলক পাত্র, কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি শিক্ষক হরিপদ পাত্র, ২০২৩ এর ১১ আগষ্ট মুজঃফফরপুর শহিদ ক্ষুদিরাম বসু কেন্দ্রীয় কারাগারে উপস্থিত ৩সাংবাদিক, ৩প্রাক্তন সেনাকর্মী সহ বহু বিশিষ্ট মানুষ। শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান এবং দীপপ্রজ্জ্বলনের পর সংক্ষিপ্ত পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থা বেলদা আঞ্চলিক ইউনিট এর সম্পাদক পুলক পাত্র সংগঠনের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিয়ে যথা সময়ে ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তির পাদদেশে উপস্থিত হওয়ার জন্য সকলকে অভিনন্দন জানান। শিক্ষক অখিলবন্ধু মহাপাত্র মুজঃফফরপুর শহিদ ক্ষুদিরাম বসু কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাগার কর্তৃপক্ষ এবং বিহারের রাজ্য ও জেলা প্রশাসন যেভাবে মর্যাদার সঙ্গে রাত জেগে ক্ষুদিরাম বসুকে স্মরণ করে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য বিহারের মুজঃফফরপুরের পরে বাংলায় এটসি প্রথম ভোর ৪টা ২০ মিনিটে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের আয়োজন। এদিনের অনুষ্ঠানে মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থা বেলদা আঞ্চলিক ইউনিটের কার্যকরী সভাপতির উদ্যোগে এক ঝাঁক শিল্পী "একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি" সঙ্গীত পরিবেশন করেন। পাশাপাশি অখিলবন্ধু মহাপাত্র পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ইমেইল করে আগামী দিনে ক্ষুদিরাম বসুর জন্মস্থান মেদিনীপুরের হবিবপুরে যাতে ১১আগষ্ট ভোর ৪টা২০ মিনিটে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয় সেই অনুরোধ করেছেন।



