*অরুণ কুমার সাউ, তমলুক*: মহানায়ক উত্তম কুমার কেবল একজন চলচ্চিত্র তারকা নন; তিনি বাঙালির আবেগ, স্মৃতি ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রবিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক থানার কাকটিয়ার ‘দেবাঙ্গন’-এ আয়োজিত হলো…
*অরুণ কুমার সাউ, তমলুক*: মহানায়ক উত্তম কুমার কেবল একজন চলচ্চিত্র তারকা নন; তিনি বাঙালির আবেগ, স্মৃতি ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রবিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক থানার কাকটিয়ার ‘দেবাঙ্গন’-এ আয়োজিত হলো এক অনন্য শ্রদ্ধার্ঘ্য অনুষ্ঠান—"উত্তম সন্ধানে"। ‘কুইজ কেয়ার’ পরিবারের উদ্যোগে সারাদিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।
২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার সকাল থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে সমাগম ঘটে রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা উত্তম-প্রেমী ও খ্যাতনামা কুইজ অনুরাগীদের। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বাইরে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা থেকে একাধিক উত্তম কুমার প্রেমী মানুষ এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন ।
উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থেকে উপস্থিত ছিলেন ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপে অন্যতম জনপ্রিয় “উত্তম কুমার" গ্রূপ “উত্তম কুমার ও স্বর্ণযুগে"র অন্যতম কর্ণধার কল্লোল চক্রবর্তী। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার বাঘাযতীন থেকে অরিজিৎ ভট্টাচার্য। বাংলা চলচ্চিত্র জগতে মহানায়কের অবদানের কথা স্মরণ করে দিনভর চলে নানান আলোচনা, স্মৃতিতর্পণ এবং উত্তম কুমার বিষয়ক বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় প্রথম হয় অর্কদেব গাঙ্গুলী ও আশীষ সেনগুপ্ত,দ্বিতীয় হয় সোমা দে চৌধুরী ও জয়দীপ গুহ ঠাকুরদা,
তৃতীয় হয় সন্দীপন দাস ও সৌরভ রায়। কুইজ পরিচালনা করেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কুইজমাস্টার শুভদীপ মাজি , সতীনাথ মাইতি , সেক মুজাফর।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তা ও অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ প্রমাণ করে যে, শতবর্ষ পরেও মহানায়কের জনপ্রিয়তা বিন্দুমাত্র ম্লান হয়নি; বরং বাঙালির হৃদয়ে তিনি এখনও একইভাবে ভাস্বর। রবিবাসরীয় এই "উত্তম সন্ধানে" উদ্যোগের মধ্য দিয়ে ততোধিক স্পষ্ট হয়ে ওঠে উত্তম কুমারের কালজয়ী ঐতিহ্য। কুইজ কেয়ারের পক্ষ থেকে সতীনাথ মাইতি জানান এই অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে আরও বেশি মানুষের কাছে উত্তম কুমারকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য উত্তম সন্ধানে নামে একটি কুইজ ও তথ্যের বই প্রকাশিত হবে।


