অরুণ কুমার সাউ,তমলুক:সব কর্মরত শিক্ষকদের জন্য টেট বা টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট বাধ্যতামূলক করার সরকারি নির্দেশিকার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামলেন শিক্ষকরা। সম্প্রতি স্কুল সার্ভিস কমিশন ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশিকা পাঠিয়ে কেন্দ্…
অরুণ কুমার সাউ,তমলুক:
সব কর্মরত শিক্ষকদের জন্য টেট বা টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট বাধ্যতামূলক করার সরকারি নির্দেশিকার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামলেন শিক্ষকরা। সম্প্রতি স্কুল সার্ভিস কমিশন ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশিকা পাঠিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলে রাজ্যজুড়ে শিক্ষক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই 'অনৈতিক' নিদান বাতিলের দাবিতে বুধবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন জেলার শিক্ষকরা।
'টেট অ্যাফেক্টেড টিচার্স'-এর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এদিন তমলুক শহরে একটি বিশাল প্রতিবাদ মিছিলও বের হয়। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায় অনুযায়ী, ৫৫ বছর বয়সের নিচে থাকা সমস্ত কর্মরত শিক্ষককে টেট পাস করতে হবে, না হলে চাকরি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে রাজ্যের প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে চার দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয় ডিআই -এর হাতে। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির জেলা সভাপতি সোমনাথ সামন্ত, জেলা সম্পাদক শম্ভু মান্না, বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সম্পাদক সৌমিত্র পট্টনায়ক, সুদীপ্ত সাউ, WBPTA-এর প্রতিনিধি গোবিন্দ দোলুই, রামকৃষ্ণ সিট এবং শিক্ষক কল্যাণ সমিতির জেলা সম্পাদক গৌরহরি মান্না ও শিক্ষক রত্নদীপ সামন্ত।
আন্দোলনকারী শিক্ষক নেতৃত্বের হুঁশিয়ারি, শীঘ্রই এই দাবি না মানা হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
