Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন: বিজেপির হাসিরানির পর এবার মনোনয়ন পেশ তৃণমূলের সঞ্চিতা প্রধান দে-র

অরুণ কুমার সাউ, হালদিয়া: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে চড়তে শুরু করেছে রাজনীতির পারদ। মঙ্গলবার বিজেপি প্রার্থী হাসি রাণী রথ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর বুধবার সকালে হালদিয়া মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে নিজের মনোনয়ন জমা দিলেন কালীঘাট তৃণ…


অরুণ কুমার সাউ, হালদিয়া: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে চড়তে শুরু করেছে রাজনীতির পারদ। মঙ্গলবার বিজেপি প্রার্থী হাসি রাণী রথ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর বুধবার সকালে হালদিয়া মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে নিজের মনোনয়ন জমা দিলেন কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে। এ দিন তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা তথা রামনগরের প্রাক্তন বিধায়ক অখিল গিরি।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সঞ্চিতা বলেন, ‘ভোটের ময়দানে লড়াই সব সময়েই কঠিন হয়। আমরা সর্বশক্তি দিয়ে লড়ব। হার-জিত আছে। দুঃসময় বা সুসময় বলে কিছু হয় না। লড়াকু হিসেবে রাজনীতির ময়দানে আগেও ছিলাম, আগামী দিনেও থাকব।’

অন্যদিকে, অখিল গিরি বলেন, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে প্রার্থী করা হয়েছে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে। উনি আজ মনোনয়ন জমা দিলেন। আমরা চাই নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।’


নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই দলের অন্দরে একাধিক নাম ভেসে উঠছিল। অবশেষে গত রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই সঞ্চিতার নামে সিলমোহর দেয় শীর্ষ নেতৃত্ব। তৃণমূল সূত্রে খবর, এক সময় দলের প্রভাবশালী স্থানীয় নেতাদের দাপটে অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন সঞ্চিতা। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের টিকিট না পেয়ে নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়ী হতে পারেননি। এবার তৃণমূল নেতৃত্ব সেই পুরনো ও স্থানীয় মুখ সঞ্চিতার ওপরই আস্থা রেখে তাঁকে নির্বাচনী ময়দানে নামাল।

নন্দীগ্রামের বয়ালের বাসিন্দা সঞ্চিতা পেশায় একজন শিক্ষিকা। সক্রিয় রাজনীতির সাথে তাঁর সংযোগ দীর্ঘদিনের। ২০১৩ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়ে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষের দায়িত্ব সামলান।২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুনরায় জয়ী হয়ে শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট সংক্রান্ত মামলায় ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে যে ২৬৯ জন প্রাথমিক শিক্ষক চাকরি হারিয়েছিলেন, সঞ্চিতা ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তবে সমস্ত বিতর্কের ঊর্ধ্বেই উঠে এবার হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের মুখ হিসেবে লড়াই করছেন তিনি।