অরুণ কুমার সাউ, তমলুক : দুর্গাপূজা ও আসন্ন উৎসবের মরশুমে লাউডস্পিকার জনিত শব্দদূষণ রুখতে উদ্যোগী হলো পূর্ব মেদিনীপুর সাউন্ড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সম্প্রতি জেলায় সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আলোচনার মূল কেন্দ্…
অরুণ কুমার সাউ, তমলুক : দুর্গাপূজা ও আসন্ন উৎসবের মরশুমে লাউডস্পিকার জনিত শব্দদূষণ রুখতে উদ্যোগী হলো পূর্ব মেদিনীপুর সাউন্ড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সম্প্রতি জেলায় সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল নির্ধারিত শব্দমাত্রা বজায় রাখা এবং শব্দদূষণ রোধে মাইক ব্যবসায়ীদের সচেতনতা বৃদ্ধি।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি বামদেব গুছাইত। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন 'সবুজ মঞ্চ' এবং 'এসোসিয়েশন ফর বেটার লিভিং' এর পক্ষে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী গৌরাঙ্গ কুইলা, মানবেন্দু রায়, বীতোশক পট্টনায়ক ও অধ্যাপক ড. অমলেশ পাত্র। আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে ছিলেন সংস্থার সভাপতি উত্তম দাস, সহ-সভাপতি মোহন বর্মন, কোষাধ্যক্ষ রঞ্জিত সামন্ত। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলার অন্তত ৭০ টি সাউন্ড সিস্টেমের মালিক পক্ষের প্রতিনিধি।
সভায় উপস্থিত বক্তারা ও প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উৎসবে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলার ওপর বিশেষ জোর দেন। পরিবেশ আদালতের নির্দেশিকা মেনে নির্দিষ্ট ডেসিবেলের মধ্যে সাউন্ড সিস্টেম বাজাতে হবে। জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও পূজা মণ্ডপের চারপাশে অতিরিক্ত বাস ও ক্ষতিকারক সাউন্ড বক্স (ডিজে) ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকবে। রাত ১০টার পর কোনোভাবেই উচ্চশব্দে লাউডস্পিকার বা সাউন্ড সিস্টেম চালানো যাবে না। সাউন্ড সিস্টেমের মালিকদের পাশাপাশি সাধারণ প্যান্ডেল কমিটিগুলোকেও শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। জেলা পরিষদের সভাধিপতি বামদেব গুছাইত মহাশয় বলেন, "উৎসবের আনন্দ যেন অন্যের যন্ত্রণার কারণ না হয়। নিয়ম মেনে মাইক বা সাউন্ড সিস্টেম বাজালে একদিকে যেমন উৎসবের পরিবেশ বজায় থাকে, অন্যদিকে প্রবীণ ও রোগীদের শারীরিক কষ্ট এড়ানো সম্ভব হয়।"
সাউন্ড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়, আদালতের সমস্ত নিয়মকানুন মেনে সাউন্ড ব্যবসা পরিচালনার জন্য সব সদস্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

