শিল্পাঞ্চলে দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হলদিয়ায় ৫০ শয্যার ট্রমা সেন্টার তৈরির ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে এই প্রকল্প চালুর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন…
শিল্পাঞ্চলে দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হলদিয়ায় ৫০ শয্যার ট্রমা সেন্টার তৈরির ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে এই প্রকল্প চালুর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার হলদিয়ায় এলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। এদিন তাঁরা তমলুকের তাম্রলিপ্ত গভমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও পরিদর্শন করেন।
গত বুধবার হলদিয়ায় প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার ফেনল ও অ্যাসিটোন প্ল্যান্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শ্রমিকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এই ট্রমা সেন্টার তৈরির ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রস্তাবিত কেন্দ্রে শিল্পাঞ্চলের উপযোগী বার্ন ইউনিট ও অগ্নিদগ্ধদের চিকিৎসার বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ২৮ কোটি টাকার এই প্রকল্পে হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদ ১৮ কোটি, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (আইওসিএল) ৫ কোটি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (এনএইচএম) ৫ কোটি টাকা দিচ্ছে।
পরিদর্শনের পরে স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম জানান, ট্রমা কেয়ার সেন্টার নিয়ে কিছু সমস্যা থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী সেটিকে দ্রুত চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন। জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে খুব শীঘ্রই কাজ শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, এদিন বিকেলে তমলুকের তাম্রলিপ্ত গভমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালও ঘুরে দেখেন আধিকারিকেরা। কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রা দত্ত জানান, পরিদর্শনের সময় রেডিয়োলজি বিভাগের উন্নয়ন, অগ্নিনির্বাপণ সংক্রান্ত শংসাপত্র এবং নতুন ভবন নির্মাণের বিষয়গুলি আধিকারিকদের নজরে আনা হয়েছে। প্রস্তাবিত জি-প্লাস-৯ ভবন নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
কাজল মাইতির রিপোর্ট, দেশ মানুষ
