একে করোনা সংক্রমনের জেরে গৃহবন্দী মানুষ। প্রতি মুহুর্তে আতঙ্কে দিন কাটছে। তার উপরে “আমফান” ঘূর্নিঝড়। এদিকে ক্রমেই শক্তি বাড়িয়ে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে আমফান। তাই দিঘা সহ উপকূলবর্তী এলাকাজুড়ে সতর্কতা জারি করল পূর্ব মেদিনীপুর জেল…
একে করোনা সংক্রমনের জেরে গৃহবন্দী মানুষ। প্রতি মুহুর্তে আতঙ্কে দিন কাটছে। তার উপরে “আমফান” ঘূর্নিঝড়। এদিকে ক্রমেই শক্তি বাড়িয়ে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে আমফান। তাই দিঘা সহ উপকূলবর্তী এলাকাজুড়ে সতর্কতা জারি করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। শনিবার থেকেই দিঘা ও সংলগ্ন এলাকায় মাইকিং শুরু করেছে দিঘা মোহনা থানা ও দিঘা থানার পুলিশ। ঘোষণা করা হচ্ছে , মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া বারণ। যে সমস্ত মৎস্যজীবীরা এখনও সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছেন তাদের দ্রুত উপকূলে ফিরে আসার জন্য বলা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ইতিমধ্যে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৩২ জনের একটি দল দিঘার পৌঁছে গিয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে হলদিয়ার উপকূল রক্ষী বাহিনী। এদিকে আমফান এর প্রভাবে সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাস হতে পারে, এমনটা ধরে নিয়ে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে কাঁথি মহকুমা প্রশাসন। বিশেষ করে দিঘা ,শংকরপুর, মান্দারমনি ও তাজপুর উপকূলের বেশিরভাগ অংশ রামনগর ১ ব্লকের মধ্যে পড়ে। তাই আমফান মোকাবিলায় রীতিমতো নড়েচড়ে বসেছে রামনগর ১ ব্লক প্রশাসন। বিশেষ করে পদিমা – ১ ও ২ নম্বর অঞ্চল এবং তালগাছাড়ি ২ অঞ্চলে আমফান মোকাবিলা প্রশাসনের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এর আগে অতি বৃষ্টি ও ঘূর্নিঝড়ে দেখা গেছে যে, এইসব এলাকা দিয়ে সমুদ্রের জল সমুদ্র বাঁধ উপচে অনেক সময় গ্রামে ঢুকেছে। তাই এই এলাকার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য এলাকা পরিদর্শন করেছে ব্লক প্রশাসনের এক প্রতিনিধিদল। অপর দিকে নজর রাখা হয়েছে খেজুরি এলাকায় ও। তাছাড়া সমুদ্র উপকূলের মানুষদের রাখার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে আয়লা সেন্টারগুলো কে।
