Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

প্রকৃতির হাতছানি-বাংরিপোশি

নরসিংহ দাসথাকবো না আর বদ্ধ ঘরে দেখব এবার জগৎটাকে কেমন করে ঘুরছে মানুষ যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে...#বাংরিপোশি_ওড়িশাগতকাল এক কাজে গিয়ে চলে গেলাম সবাই মিলে...ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার অন্তর্গত বাংরিপোশি... ভাই মণিকাঞ্চন, ফারুক, রাজেশ ও …

 

নরসিংহ দাস

থাকবো না আর বদ্ধ ঘরে দেখব এবার জগৎটাকে কেমন করে ঘুরছে মানুষ যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে...

#বাংরিপোশি_ওড়িশা

গতকাল এক কাজে গিয়ে চলে গেলাম সবাই মিলে...ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার অন্তর্গত বাংরিপোশি... ভাই মণিকাঞ্চন, ফারুক, রাজেশ ও সুপ্রকাশকে আমার অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই... এইরকম একটি দিনকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য...পাহাড় কাকে না টানে?...আর সেই টানেই এমন ছোট্ট আউটিং... মেদিনীপুর থেকে ফেঁকোঘাট, গোপীবল্লভপুর, হাতিবাড়ি, জামশোলা হয়ে... মাত্র ১১০ কিমি দূরে এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রূপ সত্যিই অসাধারণ.

..পাহাড়ি রাস্তা...বর্ষাকালে চারিদিকে সবুজ অরণ্যের হাতছানি...নীল আকাশে সঙ্গে মেঘের ভেলা... হঠাৎ বৃষ্টি... পাহাড়ের চূড়ায় কালো মেঘের চুম্বন...মাঝে মাঝে সূর্যের উঁকিঝুঁকি.... সত্যিই এক আলাদা অনুভূতিতে ভরে যায় মন.

..বাংরিপোশি যাওয়ার আদর্শ সময় হল এই বর্ষাকাল... খরস্রোতা এক জলধারার তীরে রাস্তার পাশেই রয়েছে 'মা দ্বারশুনি পীঠ'...দ্বারশুনি মায়ের মন্দির...যেখানে নিত্যপূজার পাশাপাশি চলে ভোগ দান...মকরসংক্রান্তির তিনদিন পর বড় মেলা বসে....ঐ সময় বলি দেওয়ার রীতিও রয়েছে..

. মন্দিরের ঠিক পেছনে ছোট্ট ঐ পাহাড়ি জলধারার তীরবর্তী পাহাড়ের তলদেশের ঢালু মাঠে...যে স্থান গাছগাছালিতে ভরা... একপ্রান্তে রয়েছে একটা বড়ো পাতকুঁয়া... শীতকালে মকরসংক্রান্তির ঐ সময় জলধারায় জল থাকে খুবই কম বা থাকে না বললেই চলে... বাস্তবে ঐ জলধারা বুড়িবালাম নদীতে মিশেছে... ঐ মাঠের এক দিক দিয়ে পায়ে হাঁটা চড়াই রাস্তা দিয়ে পাহাড়ের উপরে কিছুটা উঠে যাওয়া যায়.. যেখানে প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্ট একটি গুহা রয়েছে...আর পাহাড়ের চূড়ায় রয়েছে কনকদুর্গা বা বনবিবির মন্দির খুবই জাগ্রত.... ঐ স্থান থেকে চারিদিকের পরিবেশ দেখে সত্যিই চোখ জুড়িয়ে যায়..

. বর্ষাকালে পাহাড়ে বৃষ্টি দেখার আনন্দ‌ই আলাদা...দ্বারশুনি মন্দির থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছে জগন্নাথ মন্দির....বাংরিপোশির প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে অসংখ্য বানর....যারা বন থেকে খাদ্য সংগ্রহের পাশাপাশি রাস্তার উপর চলে আসে দর্শনার্থীদের কাছ থেকে কিছু খাবার পাওয়ার আশায়....ঐ রাস্তায় কয়েক কিমি অন্তর অন্তর ওদের দেখা মেলে... রাস্তায় চলে আসার কারনে..

.ওড়িশা সরকার থেকে রাস্তার ধারে ফলক লাগানো রয়েছে গাড়ির গতিবেগ সীমিত রাখার জন্য..

.পাহাড়ি রাস্তায় বাঁকের জন্য বাংরিপোশি 'বাহান্ন বাঁক' নামেও পরিচিত।

... রইবো না আর বদ্ধ খাঁচায় দেখব এসব ভুবন ঘুরে আকাশ বাতাস চন্দ্র তারা সাগরজলে পাহাড়-চূড়ে..