Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

মিড ডে মিলে এবার রকমারি ফল, পুষ্টির জোয়ারে খুশি তমলুকের ছাত্রীরা

স্রেফ ভাত-ডাল-সবজি নয়, স্কুলের দুপুরের পাতের চেহারা বদলে দিতে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। লক্ষ্য একটাই— পড়ুয়াদের শরীর থেকে অপুষ্টির ছাপ মুছে ফেলা এবং মেধা বিকাশে গতি আনা। আর সেই সরকারি নির্দেশ মেনে পূর্ব মেদিন…

 


স্রেফ ভাত-ডাল-সবজি নয়, স্কুলের দুপুরের পাতের চেহারা বদলে দিতে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। লক্ষ্য একটাই— পড়ুয়াদের শরীর থেকে অপুষ্টির ছাপ মুছে ফেলা এবং মেধা বিকাশে গতি আনা। আর সেই সরকারি নির্দেশ মেনে পূর্ব মেদিনীপুরের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তমলুক রাজকুমারী সান্ত্বনাময়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শুরু হলো পুষ্টিকর ফলের জোগান।

রাজ্য শিক্ষা দফতরের সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ৩১ মার্চের মধ্যেই রাজ্যের সমস্ত স্কুলে মিড ডে মিলের তালিকায় প্রোটিন ও ভিটামিনের মাত্রা বাড়াতে হবে। সেই তালিকায় ডিমের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে কলা, পেয়ারা কিংবা তরমুজের মতো মরসুমি ফল। এতদিন ডাল-ভাতের চেনা ছকে মাঝেমধ্যে মাংসের দেখা মিললেও, টাটকা ফলের সংযোজন এবারই প্রথম।


শহরের রাজকুমারী সান্ত্বনাময়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেল এক উৎসবের মেজাজ। এদিন ছাত্রীদের পাতে ভাত, ডাল, সয়াবিনের তরকারি আর চাটনির সঙ্গেই শোভা পাচ্ছিল লাল টুকটুকে তরমুজ আর কচি শসা। গরমের শুরুতে এই রসালো ফল পেয়ে খুশি প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির প্রায় ১১০০ জন ছাত্রী।

স্কুলের এক ছাত্রীর কথায়,

"স্কুলে রোজই ডাল-ভাত খাই, কিন্তু গরমের মধ্যে শসা আর তরমুজ পাওয়ায় বেশ আরাম লাগছে। এখন থেকে মাঝেমধ্যে ফল পাব শুনলাম।"

খাওয়াদাওয়া চলাকালীন কোনও রকম বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং খাবারের গুণমান যাচাই করতে খোদ প্রধান শিক্ষিকা ও অন্যান্য সহ-শিক্ষিকারা উপস্থিত থাকছেন। সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী যাতে প্রতিটি শিশু নির্দিষ্ট পরিমাণ পুষ্টি পায়, তা নিশ্চিত করাই এখন স্কুল কর্তৃপক্ষের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে গ্রামীণ ও শহরতলীর আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদরা।


কাজল মাইতির রিপোর্ট, দেশ মানুষ