বর্তমানের কর্মব্যস্ত জীবনে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে যোগাভ্যাসের গুরুত্ব অপরিসীম। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘যোগা মেধা অনুসন্ধান পরীক্ষা ২০২৬’। ইন্দ্র যোগ সেন্টারের উদ্যোগে …
রবিবার সাতসকালেই তমলুকের নির্ধারিত গেস্ট হাউসে ছিল উৎসবের মেজাজ। পূর্ব মেদিনীপুর তো বটেই, পার্শ্ববর্তী জেলাগুলি থেকেও উৎসাহী শিক্ষার্থীরা সকালেই পৌঁছে যায় পরীক্ষা কেন্দ্রে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এ দিনের পরীক্ষায় মোট ৪২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। কেবল শিক্ষার্থীরাই নয়, অভিভাবকদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
প্রশিক্ষক ইন্দ্রজিৎ দাসের তত্ত্বাবধানে এ দিন ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা তাদের দক্ষতা প্রদর্শন করে। পরীক্ষার মূল বিষয় ছিল:
যোগাসন: শরীরের নমনীয়তা ও ভারসাম্য রক্ষা।
প্রাণায়াম: শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মনঃসংযোগ বৃদ্ধি।
জিমন্যাস্টিক: শারীরিক সক্ষমতা ও ক্ষিপ্রতার পরিচয়।
প্রতিযোগিতার শেষে বাছাই করা ২৩ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংস্থার পক্ষ থেকে বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়। এই ২৩ জন প্রতিনিধি আগামী দিনে শিলিগুড়িতে আয়োজিত জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় যোগ দিতে রওনা হবে। খুদেদের এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তাদের অভিভাবক ও প্রশিক্ষকরা।
"শিশুদের সুস্থ সবল রাখতে এবং তাদের মানসিক বিকাশে যোগার কোনো বিকল্প নেই। তমলুকের এই উদ্যোগ আগামী প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় বড় ভূমিকা নেবে।"
আস্তাড়া স্পোর্টস এন্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এই সামগ্রিক আয়োজনটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। তমলুকের এই যোগা মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা জেলা স্তরে যোগাসনের প্রসারে এক নতুন মাত্রা যোগ করল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
কাজল মাইতির রিপোর্ট, দেশ মানুষ