রূপনারায়ণ নদের বুকে উত্তাল ঢেউ সামলে লঞ্চে চেপে প্রচার সারলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। গন্তব্য, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরের সীমানায় অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মায়াচর। বুধবার এভাবেই অভিনব কায়দায় প্রচার সারলেন মহিষাদল বিধানসভা কেন্দ্…
রূপনারায়ণ নদের বুকে উত্তাল ঢেউ সামলে লঞ্চে চেপে প্রচার সারলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। গন্তব্য, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরের সীমানায় অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মায়াচর। বুধবার এভাবেই অভিনব কায়দায় প্রচার সারলেন মহিষাদল বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তিলককুমার চক্রবর্তী। দ্বীপের প্রায় ছ’হাজার বাসিন্দার দুয়ারে পৌঁছে এদিন উন্নয়নের বার্তা দিলেন তিনি।
কখনও বাইক, কখনও টোটো
জলপথ পেরিয়ে দ্বীপে পা রাখতেই প্রার্থীকে ঘিরে উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মায়াচরের চারটি বুথ এলাকায় চলে ম্যারাথন প্রচার। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দ্বীপের অলিগলি সংকীর্ণ, তাই জনসংযোগের মাধ্যম হিসেবে তিলকবাবু কখনও বেছে নিলেন মোটর বাইক, আবার কখনও টোটো। রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ভিড় আর উলুধ্বনি জানান দিচ্ছিল দ্বীপ-রাজনীতির উত্তাপ।
দ্বীপের মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার পাশাপাশি রাজ্য সরকারের কাজের খতিয়ান তুলে ধরেন তিলকবাবু। তিনি বলেন:
"এই দ্বীপের মানুষ আমার পরিবারের মতো। সুখে-দুঃখে আমি সব সময় এঁদের পাশে থাকি। ডাকলেই আমাকে পাওয়া যায়। রাজ্যে তৃণমূল সরকার আসার পর এই মায়াচরে রাস্তাঘাট, ব্রিজ এবং বিদ্যুতের যে আমূল পরিবর্তন হয়েছে, তা সাধারণ মানুষ নিজের চোখেই দেখছেন।"
এদিনের এই বর্ণময় প্রচার কর্মসূচিতে প্রার্থীর সঙ্গী হয়েছিলেন মহিষাদল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুদর্শন মাইতি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী শিউলি দাস এবং অমৃতবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য প্রবীর প্রামাণিক-সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব।
রাজনৈতিক মহলের মতে, দুর্গম মায়াচরে প্রার্থীর এই 'লঞ্চ অভিযান' ও ব্যক্তিগত জনসংযোগ ভোটবাক্সে বাড়তি সুবিধা দেবে ঘাসফুল শিবিরকে। প্রচার শেষে প্রার্থীর স্পষ্ট দাবি, মায়াচর বরাবরই উন্নয়নের পক্ষে, আর এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
কাজল মাইতির রিপোর্ট, দেশ মানুষ
