অরুণ কুমার সাউ, চন্ডীপুর: স্কুল স্তরে পুনরায় পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা, সমস্ত শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ এবং বকেয়া ডিএ প্রদানের মতো একাধিক জ্বলন্ত দাবি নিয়ে সরব হলো মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি । ২৩ মে শনিবার , পূর্ব মেদিনীপুরের …
অরুণ কুমার সাউ, চন্ডীপুর: স্কুল স্তরে পুনরায় পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা, সমস্ত শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ এবং বকেয়া ডিএ প্রদানের মতো একাধিক জ্বলন্ত দাবি নিয়ে সরব হলো মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি । ২৩ মে শনিবার , পূর্ব মেদিনীপুরের চন্ডীপুরের লায়ন্স ক্লাব সভাঘরে সংগঠনটির জেলা কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় উপস্থিত শতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর উপস্থিতিতে শিক্ষা ব্যবস্থার একাধিক সমস্যা ও দীর্ঘদিনের বঞ্চনার কথা তুলে ধরা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সমস্ত দাবিদাওয়া সম্বলিত একটি স্মারকলিপি বা দাবি সনদ খুব শীঘ্রই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পেশ করা হবে। আন্দোলনের মূল দাবিগুলি ছিল- স্কুল স্তরে শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য পুনরায় পাশ-ফেল চালু,বিদ্যালয়ের সমস্ত ফাঁকা পদে অবিলম্বে স্বচ্ছ নিয়োগ , প্রতিশ্রুতি মতো বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) প্রদান এবং নতুন পে-কমিশন চালু করা।পার্শ্বশিক্ষক ও বৃত্তিমূলক শিক্ষকদের বেতন বা সম্মানি বৃদ্ধি করা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুস্থ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা। ২০১৬ সালের প্যানেলের যোগ্য ও মেধার ভিত্তিতে নিযুক্ত শিক্ষকদের পুরনো চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া।সভায় উপস্থিত জেলা সম্পাদক শম্ভু মান্না নতুন সরকারের প্রতি আশা প্রকাশ করে বলেন সম্প্রতি নতুন সরকার ক্ষমতায় আসায় আমাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা নিশ্চয়ই দূর হবে। বিদ্যালয়ে পাশ-ফেল ফেরানো, পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষক-কর্মীদের ন্যায্য পাওনার বিষয়ে সদর্থক আলোচনা হয়েছে। আমরা খুব তাড়াতাড়ি এই বিষয়ে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।এদিনের এই সাধারণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব দাস, প্রাক্তন সহ-সভাপতি তপন সামন্ত, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক নীলকান্ত ঘোষ, জেলা সভাপতি সোমনাথ সামন্ত এবং প্রাক্তন জেলা সভাপতি মনীষী রঞ্জন গিরি সহ অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃত্ববৃন্দ।

