Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

আবেদনপত্র যাচাইয়ে তৎপর জেলা প্রশাসন, ৩রা জুনের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে আবেদন পত্র শেষ করার নির্দেশ

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় 'অন্নপূর্ণা যোজনা' রূপায়ণে কোমর বেঁধে নামল জেলা প্রশাসন। এই প্রকল্পে জেলায় মোট ২ লক্ষ ৮ হাজার ৫০০ জন উপভোক্তাকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ জুনের আগেই সমস্ত আবেদনপত্র যাচা…


 পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় 'অন্নপূর্ণা যোজনা' রূপায়ণে কোমর বেঁধে নামল জেলা প্রশাসন। এই প্রকল্পে জেলায় মোট ২ লক্ষ ৮ হাজার ৫০০ জন উপভোক্তাকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ জুনের আগেই সমস্ত আবেদনপত্র যাচাই করে উপভোক্তাদের নাম নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। প্রশাসন সূত্রে খবর, গ্রামীণ এলাকায় সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিও  এবং পুর এলাকায় মহকুমা শাসকেরা এই আবেদনপত্র যাচাইয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

​জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় রাজ্য সরকারের 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্পের উপভোক্তার সংখ্যা ১৪ লক্ষ ২৮ হাজার। সেই নিরিখে অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তা নির্বাচন যাতে নির্ভুল হয়, সে দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। গত ৩০ মে তাম্রলিপ্ত পৌরসভায় এই অন্নপূর্ণা যোজনার আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন তমলুকের বিধায়ক হরেকৃষ্ণ বেরা। তার পর থেকেই পুর এলাকায় পুরোদমে আবেদনপত্র জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

​প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনের ফর্মটি বাংলায় মোট ১২ পাতার। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এবং ফর্ম পূরণে জটিলতা কাটাতে তাম্রলিপ্ত পৌরসভায় ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ 'হেল্প ডেস্ক' চালু করা হয়েছে।

​এই প্রসঙ্গে তাম্রলিপ্ত পৌরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শবরী চক্রবর্তী বলেন, "আগে সরকারি প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নাম করে 'নারায়ণ ভাণ্ডার'-এর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত। কিন্তু বর্তমান সরকার চাইছে প্রকৃত ও সঠিক প্রাপ্য ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্টেই যেন টাকা পৌঁছায়। সেই কারণেই এই সুনির্দিষ্ট ফর্মটি তৈরি করা হয়েছে। ফর্মটি অত্যন্ত সহজ, এখানে ভয় পাওয়ার মতো কিচ্ছু নেই। যাঁরা নিজেরা ফর্ম পূরণ করতে পারবেন না, তাঁদের আমরা সব রকম ভাবে সাহায্য করব।"

​আপাতত ৩ জুনের ডেডলাইনকে সামনে রেখে জেলার ব্লক এবং পুরসভাগুলিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে।

কাজল মাইতির রিপোর্ট, দেশ মানুষ