নিজস্ব প্রতিবেদক পশ্চিম মেদিনীপুর ....ভিন্ন ধারায় মেদিনীপুর শহরের বিমল দাশগুপ্ত স্মৃতি রক্ষা কমিটির উদ্যোগে। কমিটির সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী,দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সম্ভবত মেদিনীপুর শহরে প্রথমবার পুলিশের গুলি চলছিল ২০০০ সালে। সেই …
নিজস্ব প্রতিবেদক পশ্চিম মেদিনীপুর ....ভিন্ন ধারায় মেদিনীপুর শহরের বিমল দাশগুপ্ত স্মৃতি রক্ষা কমিটির উদ্যোগে। কমিটির সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী,দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সম্ভবত মেদিনীপুর শহরে প্রথমবার পুলিশের গুলি চলছিল ২০০০ সালে।
সেই গুলিতে মারা মারা ইন্দ্রজিৎ বিশওয়াল। পুলিশের গুলিতে প্রতাপ প্রামাণিক সহ আরো কয়েকজন আহত হন।
রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য মেদিনীপুর ভেঙে দেওয়া হয়েছিল মহতাবপুরের শিব মন্দির। সেই সময় মন্দির ভাঙার প্রতিবাদ গিয়ে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান আবীর গাঙ্গুলী, সোমনাথ সিংহ সহ আরো অনেকে। পরদিন মেদিনীপুর শহরে বনধ পালন করা হয়। তৎকালীন মেদিনীপুর জজ আদালতের বার এসোসিয়েশনের প্রচেষ্টায় মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত চল্লিশ জন ধর্মযোদ্ধা বেকসুর খালাস হয়। হিউম্যান রাইটস কমিশন ইন্দ্রজিৎ বিশওয়ালের পরিবার ষকে আর্থিক ক্ষতিপূরন দেওয়ার নির্দেশ দেয়। স্মৃতি রক্ষা কমিটির সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী এই ঘটনায় মন্দির রক্ষায় প্রতিবাদে সামিল হওয়া ধর্মযোদ্ধা দের মধ্যে অনেকেই আজ বেঁচে নেই।তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা এদিনের কর্মসূচিতে । এই ঘটনাকে উপলক্ষ করে স্বাধীনতা দিবসের দিন" বিপ্লবী বিমল দাশগুপ্ত স্মৃতি রক্ষা সমিতির উদ্যোগে ,ধর্মীয় স্বাধীনতা দিবস সসম্মানে পালন করা হয় । উদ্যোক্তাদের কথায়,এই মহতী কার্যক্রমে স্বধর্ম রক্ষার্থে যাঁরা বীরত্বের সাথে ধর্ম রক্ষা করেছেন ,তাঁদের কে ধর্মযোদ্ধা " স্মারক প্রদান করা হয় । উপস্হিত ছিলেন বীরসেনানী সহ ,বিপ্লবী পরিবারের আত্মীয় সহ পরিবারের সদস্যরা্।উপস্হিত ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কার্যকর্তাসহ ,বিশ্ব হিন্দু পরিষদ , বজরং দল, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ ,সংস্কারভারতী , রাজ্য সরকারী কর্মচারী কল্যান সংঘের নেতৃত্ব , রাষ্ট্রীয় সেবিকা সমিতির মাতৃমন্ডলী সহ জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর,গর্ভর্ণমেন্ট প্লিডার সহ আরও অনেকে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেদিনীপুরের বিধায়ক ডঃ শংকর কুমার গুছাইত। উদ্যোক্তাদের কথায়,রাষ্ট্রবাদী মানুষের আগমনে অনুষ্ঠানটি সার্থকতা লাভ করে।সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারুরুপে আয়োজন ও সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী দেবাশিস সিংহ , ডাঃ বাসুদেব চক্রবর্ত্তী ও আবীর গাঙ্গুলী। উল্লেখ্য তৎকালীন সময়ে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজে মহতাবপুর শিব মন্দির সহ বেশ কিছু কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়েছিল প্রশাসনের উদ্যোগে।
