অরুণ কুমার সাউ, তমলুক : দেবীপক্ষের সূচনায় মহালয়ার সকালে মহিষাদল রাজবাড়ির আড়াইশো বছরের প্রাচীন দুর্গা মন্দির ও মদন গোপাল জিউ মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল একটি ব্যতিক্রমী সাংস্কৃতিক আয়োজন— 'জীবন্ত মহালয়া'।
এই বিশেষ ভা…
অরুণ কুমার সাউ, তমলুক : দেবীপক্ষের সূচনায় মহালয়ার সকালে মহিষাদল রাজবাড়ির আড়াইশো বছরের প্রাচীন দুর্গা মন্দির ও মদন গোপাল জিউ মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল একটি ব্যতিক্রমী সাংস্কৃতিক আয়োজন— 'জীবন্ত মহালয়া'।
এই বিশেষ ভাবনাসূত্র, পরিকল্পনা ও আয়োজনের নেপথ্যে ছিল সাংস্কৃতিক চর্চা ও সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা ‘মহিষাদল বিশ্বকলা কেন্দ্র’।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন মহিষাদল এর বিডিও তাপস কুমার মন্ডল।
শারদীয় আবহে সকাল থেকেই ঢাকের বোল, সমবেত আবৃত্তি, আগমনী গান ও নৃত্যের মাধ্যমে দেবীপক্ষকে আবাহন জানানো হয়। প্রচলিত মহালয়া শোনার পাশাপাশি মঞ্চে জীবন্ত পরিবেশনার মাধ্যমে মহালয়ার রূপ তুলে ধরা হয়, যা দর্শকদের এক অন্য অনুভূতি এনে দেয়। এই বিরাট কর্মযজ্ঞে পূর্ণ সহযোগিতার হাত বাড়ায় মহিষাদল রাজবাড়ি কর্তৃপক্ষ, 'মৃদঙ্গম ডান্স একাডেমি' এবং 'মহিষাদল হিন্দু একতা'। স্থানীয় মানুষ এবং পথচলতি দর্শনার্থীরা জানান, মহিষাদলে এই ধরনের ‘জীবন্ত মহালয়া’ তারা প্রথমবার দেখলেন। সম্পূর্ণ অন্য আঙ্গিকের এই পরিবেশনা তাদের মন ছুঁয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা তথা বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী বিশ্বনাথ গোস্বামী জানান— সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে এই জীবন্ত মহালয়া অনুষ্ঠান সমাজে এক নতুন বার্তা পৌঁছে দেবে বলেই তাদের আশা।



